জাতীয় ডেস্ক, ০৪ মে ৷৷ সুপার সাইক্লোন ফণী ভারতের পূর্ব উপকূলে আঘাত হানার পর উড়িষ্যা উপকূল অতিক্রম করে পশ্চিমবঙ্গেও প্রভাব পরেছে ফেণীর। কলকাতাকে পাস কটিয়ে বাংলাদেশের দিকে চলে গিয়েছে ফণি। কিন্তু তার পরেই কলকাতায় বইছে ঝোড়ো হাওয়া। ফণীর তাণ্ডবে ৫ জনের প্রাণ হারানোর খবর পাওয়া গেছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উড়িষ্যা অঞ্চলজুড়ে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। পুরী এবং আশেপাশের এলাকায় ২০০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে থাকে বলে জানা যায়। সুপার সাইক্লোন ফণীর প্রকোপে গাছ উপড়ে পড়া, ভবনের ছাদ ধসে পড়া সহ মোবাইলের টাওয়ার ভেঙ্গে পরেছে। উড়িষ্যা থেকে ১০ লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদে আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। আশেপাশের অনেক রাজ্যে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে জানা যায়।এবার উড়িষ্যা অতিক্রম করে পশ্চিমবঙ্গে আঘাত হানে ফণী। শুক্রবার বিকেল চারটে থেকে কলকাতা বিমানবন্দরের সব উড়ান বাতিল করা হয়। তা বন্ধ থাকার কথা ছিল শনিবার সন্ধে ছটা পর্যন্ত। এর ফলে বাতিল হয় ২২৭টি উড়ান। ফলে বিপাকে পড়েন যাত্রীরা। কিন্তু তার আগেই চালু হয়ে গেল পরিষেবা। যাত্রীরাও আসতে শুরু করেছেন বিমানবন্দরে। নৌবাহিনী, কোস্ট-গার্ড এবং ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপঞ্চ ফোর্স এই দুর্যোগ মোকাবেলায় সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে জানানো হয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দর নগরী বিশাখাপত্মম এবং চেন্নাইতে দুটো জাহাজ ডুবুরি-দল এবং চিকিৎসকদের নিয়ে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জানা যায়, ৮০টির ওপরে ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। ভারতীয় নির্বাচন কমিশন তাদের নিয়ম শিথিল করেছে যাতে করে কর্মকর্তা নির্বিঘ্নে ত্রাণ কার্যক্রম চালাতে পারেন।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পরে ত্রিপুরা রাজ্যেও। শুক্রবার সকাল থেকেই ফণীর প্রভাবে শুরু হয়ে গিয়েছে বৃষ্টি। শনিবারও তিলোত্তমা শহর আগরতলা সহ গোটা রাজ্যেই তার প্রভাব দেখা যাচ্ছে।
