সাগর দেব, তেলিয়ামুড়া, ২১ মে || মুমূর্ষ রোগী সহ তার পরিবারের লোকজন হাসপাতালে এসে ট্রলি টানার লোক খুঁজে পায় না, এমনটাই অভিযোগ হাসপাতালে থাকা বেসরকারি নিরাপত্তা রক্ষীদের। তাদের অভিযোগ, তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালে ট্রলি টানার দায়িত্বে থাকা প্রনতি দে উনি হাসপাতালে এসে উনার মর্জি মাফিক কাজ করতে থাকেন। মুমূর্ষ রোগীরা হাসপাতালে এসে ট্রলি টানার লোক খুঁজে না পেয়ে অনেক সময় দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এ নিয়ে হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা অভিযোগ করে জানায়, মুমূর্ষ রোগীর পরিবার পরিজনদের পক্ষ থেকে অনেক সময় এই বিষয় নিয়ে বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষীদের গাল-মন্দ শুনতে হয়। যা শুক্রবার তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালে সাংবাদিকরা গেলে ঘটনার সত্যতা খুঁজে পায়।
হাসপাতালে থাকা বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষী সহ জনৈক হাসপাতালে অন্য কর্মী সহ পরিবার-পরিজনরা এক মুমূর্ষ রোগীকে স্ট্রেচারে করে ঠেলে দ্বি-তলে নিয়ে যাচ্ছে। অথচ প্রণতি দে নামে ওই ট্রলির দায়িত্বে থাকা ম্যাডাম বসে রয়েছে অন্য এক কক্ষ্যে।
এ বিষয়ে উনাকে প্রশ্ন করা হলে সাংবাদিকদের সাফ বলে দেন উনি ট্রলি টানার কোন দায়িত্বে নেই হাসপাতালে। উনি নাকি হাসপাতলে গ্রুপ-ডি বা চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী হিসেবে কর্মরত।
এ প্রসঙ্গে তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালের জি ডি এ ইনচার্জ প্রেম সিং জমাতিয়ার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, হাসপাতালে কর্মী স্বল্পতার কারণে এমনটা হচ্ছে।
তাছাড়া এ প্রসঙ্গে তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালের M.O.I.C অজিত দেববর্মার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ট্রলির দায়িত্বে থাকা প্রণতি দে শারীরিকভাবে অসুস্থ। তবে ট্রলির দায়িত্বে থাকা প্রণতি দে’কে মৌখিকভাবে টিকিট কাউন্টারে বসিয়ে রাখা হয়েছে। কোন সরকারি নির্দেশ ছাড়া। অথচ উনার মূল দায়িত্ব তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালে ট্রলি টানার।
তবে তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালে ট্রলির দায়িত্বে নির্দিষ্ট কেউ না থাকার কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে মুমূর্ষ রোগীসহ তার পরিবারের লোকজনদের।
