সাগর দেব, তেলিয়ামুড়া, ২২ ডিসেম্বর || তেলিয়ামুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্রে গজিয়ে উঠেছে মক্ষীরানীর আসর থেকে শুরু করে নেশা বাণিজ্যের আসর। ফের কালিমালিপ্ত হলো তেলিয়ামুড়া স্বচ্ছ শ্যামলী শহর। এমনই এক দৃষ্টান্ত উঠে এলো মঙ্গলবার দুপুর নাগাদ তেলিয়ামুড়া থানা এলাকার নেতাজিনগর বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায়। জানা যায়, ঐ এলাকা থেকে এক জোড়া কপোত-কপোতি’কে আটক করে উত্তম-মধ্যম দিয়ে তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয় এলাকাবাসী। এই সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকের উপর হামলা করার চেষ্টা করে এবং ক্যামেরা ছিনিয়ে নিতে উদ্যত হয় শান্তনু দে নামে জনৈক ব্যাক্তি বলে অভিযোগ।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, তথাকথিত মানবধিকার দপ্তরের কর্মী বলে নিজেকে জাহির করা শান্তনু দে নামে জনৈক এক ব্যাক্তি এক এক মহিলাকে নিয়ে তেলিয়ামুড়া নেতাজি নগরস্থিত কৌশিক সাহার বাড়িতে যায়। ঐ সময় কৌশিক সাহার বাড়ির লোকজনের মনে সন্দেহ জাগে। পরে বাড়ির লোকজন কথাবার্তা অসংলগ্নতা লক্ষ্য করে শান্তনু দে এবং এই মহিলাকে আটক করে উত্তম-মধ্যম দেয়। এই ঘটনার খবর পেয়ে তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ শান্তনু, মহিলাকে সহ কৌশিক’কে আটক করে তেলিয়ামুড়া থানায় নিয়ে আসে। খবর পেয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে জনৈক সাংবাদিকের উপর প্রাণঘাতী হামলা এবং ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার অপকৌশল করতে থাকে নিজেকে মানবাধিকার দপ্তরের কর্মী বলে জাহির করা শান্তনু দে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের গত ১৪ই জুলাই তেলিয়ামুড়া করইলংস্থিত হোটেল সৌগত থেকে অসংলগ্ন অবস্থায় তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ আটক করেছিল তাদের। ওই সময়ও শান্তনু এবং এই মহিলাকে বাঁচাতে কৌশিক সেই হোটেলে গিয়েছিল। তবে বলার আর অপেক্ষা রাখে না কৌশিক সাহাও এই অপকর্মের সঙ্গে উৎপ্লুত ভাবে জড়িত। অন্যদিকে শান্তনু দে পুলিশের কাছে ধরা পড়লে নিজেকে মানবাধিকার দপ্তরে কর্মী বলে জাহির করতে থাকে। কিন্তু, শান্তনু দে নামে যুবক কি আদৌ মানবাধিকার দপ্তরে কর্মী এ নিয়ে প্রশ্ন চিহ্ন থেকে গেল।
এই কপোত কপোতি’কে এই নিয়ে দুই-দুই’বার আটক করল তেলিয়ামুড়া থেকে। আর অবৈধ জালে নেতাজি নগরস্থিত কৌশিক সাহাও আটকে পড়লো।
