আপডেট প্রতিনিধি, উদয়পুর, ০৪ জুলাই || রাজ্যে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ বদলি নীতি কার্যকর করার লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা উদ্যোগ গ্রহণ করলেও, রাজ্যের কৃষি দপ্তরে সেই নীতির বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগ, গোমতী জেলার মহিলা পরিচালিত টেপানিয়া কৃষি মহকুমা অফিসের কৃষি তত্ত্বাবধায়ক অলকানন্দ মজুমদারের অধীনে কর্মরত হেড ক্লার্ক মায়া নমঃ-কে গত ৮ মে রাজ্য কৃষি দপ্তরের নির্দেশে দক্ষিণ ত্রিপুরার রাজনগর কৃষি দপ্তরে বদলি করা হয়। সংশ্লিষ্ট বদলির আদেশের ফাইল নম্বর NO.F2(579)-Agri/1sst/2012-13/572-612।
কিন্তু বদলির নির্দেশ জারির প্রায় এক মাস ২৭ দিন অতিক্রান্ত হলেও এখনও পর্যন্ত তিনি রাজনগর কৃষি দপ্তরে যোগদান করেননি বলে অভিযোগ। বরং সূত্রের দাবি, তিনি প্রতিদিনের মতো টেপানিয়া কৃষি মহকুমা অফিসেই নিয়মিত দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।
অভিযোগ আরও, বদলির নির্দেশ বাতিল করানোর উদ্দেশ্যে উদয়পুর থেকে আগরতলা পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট কর্মী। যদিও এখনও পর্যন্ত বদলি রদের কোনও সরকারি নির্দেশ জারি হয়নি বলে জানা গেছে।
এদিকে, কৃষি তত্ত্বাবধায়ক অলকানন্দ মজুমদার কেন এখনও পর্যন্ত মায়া নমঃ-কে রিলিজ অর্ডার দিচ্ছেন না, তা নিয়েও দপ্তরের অন্দরে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে। সরকারি বদলির আদেশ কার্যকর না হওয়ার পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছে, মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষিত স্বচ্ছ বদলি নীতি আদৌ কৃষি দপ্তরে কার্যকর হচ্ছে কি না। সরকারি নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও যদি কোনও কর্মী পুরনো কর্মস্থলেই বহাল থাকেন, তবে বদলি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই জনমনে সংশয় তৈরি হচ্ছে।
এখন দেখার বিষয়, এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজ্য কৃষি দপ্তর কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং বদলির নির্দেশ যথাযথভাবে বাস্তবায়নে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
