গোপাল সিং, খোয়াই, ১৬ জুন ৷৷ বিশুদ্ধ নয় এক্যুয়াগার্ডের জল। একমাত্র ফুটানো জলই বিশুদ্ধ পানীয় জল। একথাই বলছেন দিল্লী থেকে আসা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। আর যেখানে অসচেতনতা, দরিদ্রতা, শিক্ষার অভাব সেখানেই অপরিচ্ছন্নতার মাঝে জন্ম নিচ্ছে ডাইরিয়ার মতো রোগ। বৃহস্পতিবার বিকেলে ডাইরিয়ার প্রতিরোধ বিষয়ক মিডিয়া ওয়ার্কশপে এই তথ্য গুলি তুলে ধরেন খোয়াই জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ পি কে মজুমদার। ডাঃ পি কে মজুমদার জানান, গোটা রাজ্যের সাথে খোয়াই জেলাতেও ডাইরিয়া পক্ষকাল কর্মসূচী শুরু হয়েছে ১২ই জুন থেকে। চলবে ২৪ জুন পর্যন্ত। খোয়াই জেলার ৬টি ব্লক এলাকার মধ্যে ৬টি বিশেষ টিম তৈরী করে স্বাস্থ্য দপ্তর ডাইরিয়া সম্পর্কে সচেতনতা তৈরী করতে কাজ শুরু করেছে। বিশেষ করে জেলার ৭৩৮ জন আশা কর্মী বাড়ি বাড়ি প্রচার কাজ চালাবেন। খোয়াই জেলার তুলাশিখর ব্লকের রিয়াং ফলকা, উজান ময়দান এডিসি গ্রাম ও মুঙ্গিয়াকামী ব্লকের বিলাইহাম, রিয়াং পাড়া, কাকড়া ছড়া ও নোনাছড়া ভিলেজে বিশেষ সতর্কতার সঙ্গে সতর্কতামূলক কর্মসূচী চলবে। প্রতিটি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে একটি করে ওআরএস কর্নার চালু রাখার কথা বলা হয়েছে। যেখানে সঠিক পদ্ধতিতে হাত ধোঁয়ার প্রনালী এবং ঘরোয়া পদ্ধতিতে ওআরএস তৈরী করার পদ্ধতি তুলে ধরার কথা বলা হয়েছে।ডাইরিয়ার প্রতিরোধ বিষয়ক মিডিয়া ওয়ার্কশপ খোয়াইয়ে
গোপাল সিং, খোয়াই, ১৬ জুন ৷৷ বিশুদ্ধ নয় এক্যুয়াগার্ডের জল। একমাত্র ফুটানো জলই বিশুদ্ধ পানীয় জল। একথাই বলছেন দিল্লী থেকে আসা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। আর যেখানে অসচেতনতা, দরিদ্রতা, শিক্ষার অভাব সেখানেই অপরিচ্ছন্নতার মাঝে জন্ম নিচ্ছে ডাইরিয়ার মতো রোগ। বৃহস্পতিবার বিকেলে ডাইরিয়ার প্রতিরোধ বিষয়ক মিডিয়া ওয়ার্কশপে এই তথ্য গুলি তুলে ধরেন খোয়াই জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ পি কে মজুমদার। ডাঃ পি কে মজুমদার জানান, গোটা রাজ্যের সাথে খোয়াই জেলাতেও ডাইরিয়া পক্ষকাল কর্মসূচী শুরু হয়েছে ১২ই জুন থেকে। চলবে ২৪ জুন পর্যন্ত। খোয়াই জেলার ৬টি ব্লক এলাকার মধ্যে ৬টি বিশেষ টিম তৈরী করে স্বাস্থ্য দপ্তর ডাইরিয়া সম্পর্কে সচেতনতা তৈরী করতে কাজ শুরু করেছে। বিশেষ করে জেলার ৭৩৮ জন আশা কর্মী বাড়ি বাড়ি প্রচার কাজ চালাবেন। খোয়াই জেলার তুলাশিখর ব্লকের রিয়াং ফলকা, উজান ময়দান এডিসি গ্রাম ও মুঙ্গিয়াকামী ব্লকের বিলাইহাম, রিয়াং পাড়া, কাকড়া ছড়া ও নোনাছড়া ভিলেজে বিশেষ সতর্কতার সঙ্গে সতর্কতামূলক কর্মসূচী চলবে। প্রতিটি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে একটি করে ওআরএস কর্নার চালু রাখার কথা বলা হয়েছে। যেখানে সঠিক পদ্ধতিতে হাত ধোঁয়ার প্রনালী এবং ঘরোয়া পদ্ধতিতে ওআরএস তৈরী করার পদ্ধতি তুলে ধরার কথা বলা হয়েছে।