বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ০৪ জুন ৷। সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চলার জন্য শান্তিরবাজারের সব্জী বাজার স্থানান্তরিত করে শান্তিরবাজার দ্বাদশ শ্রেনী বিদ্যালয় মাঠে নেওয়া হয়েছে। কোনো প্রকার পরিকাঠামো ছারাই বাজার স্থানান্তরিত করাতে ক্ষুব্ধ শান্তিরবাজারের সব্জী ব্যবসায়ীরা। লকডাউনের চতুর্থ দফা শেষে বাজারের সকল দোকানপাঠ খোলা রাখার সময়সীমা বৃদ্ধী করা হলেও সব্জী বাজারের কোনো প্রকার উন্নয়ন হয়নি বলে অভিযোগ। এতে করে বিপাকে পরতে হয় সব্জী ব্যবসায়ী থেকে সাধারন লোকজনদের। শ্রমজীবি লোকজন দৈনিক কাজ শেষে বিকেল বেলা বাজার করতে বিশেষ অসুবিধার সন্মুখিন হতে হয় বলে অভিযোগ। এই দিকে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অন্যান্য দিন প্রখর রোদে মাঠে ব্যবসা করতে উনাদের অসুবিধার সন্মুখিন হতে হয়। প্রখর রোদের ফলে উনাদের অধিকাংশ সব্জী নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টিতেও উনারা বিশেষ অসুবিধার সম্নুখিন হতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলে এই মাঠটি জলে ও কাঁদায় পরিপূর্ন হয়ে যায়। এতে করে অধিকাংশ লোকজন বাজারমুখী হতে চান না। এই ব্যাপারে মহকুমা শাসককে জানালে মহকুমা শাসক এক সাপ্তাহের মধ্যে পদক্ষেপ গ্রহন করার পতিশ্রতি দিয়ে কেটে পরেন বলে অভিযোগ। এই নিয়ে এক সব্জী ব্যবসায়ী জানান, বর্তমানে শান্তিরবাজারে অধিকাংশ সব্জী ব্যবসায়ী বাজারে আসছেন না। এর কারন অর্থের অভাব ও উৎপাদিত ফসলের অভাব। মহকুমার বাইরে থেকে সব্জী না আসার কারনে অনেক ব্যবসায়ী আর বাজারে আসছেন না। এখন হতেগুনা কিছু ব্যবসায়ী ব্যবসা করে যাচ্ছে। উনারা চাইছেন উনারা পূর্বের জায়গায় ফিরে যেতে। এতে করে উনারা স্বতস্ফূর্তভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে উনাদের ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন।সব্জী বাজার স্থানান্তরিকরণের ফলে অসুবিধার সন্মুখিন ব্যবসায়ী সহ ক্রেতারা
বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ০৪ জুন ৷। সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চলার জন্য শান্তিরবাজারের সব্জী বাজার স্থানান্তরিত করে শান্তিরবাজার দ্বাদশ শ্রেনী বিদ্যালয় মাঠে নেওয়া হয়েছে। কোনো প্রকার পরিকাঠামো ছারাই বাজার স্থানান্তরিত করাতে ক্ষুব্ধ শান্তিরবাজারের সব্জী ব্যবসায়ীরা। লকডাউনের চতুর্থ দফা শেষে বাজারের সকল দোকানপাঠ খোলা রাখার সময়সীমা বৃদ্ধী করা হলেও সব্জী বাজারের কোনো প্রকার উন্নয়ন হয়নি বলে অভিযোগ। এতে করে বিপাকে পরতে হয় সব্জী ব্যবসায়ী থেকে সাধারন লোকজনদের। শ্রমজীবি লোকজন দৈনিক কাজ শেষে বিকেল বেলা বাজার করতে বিশেষ অসুবিধার সন্মুখিন হতে হয় বলে অভিযোগ। এই দিকে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অন্যান্য দিন প্রখর রোদে মাঠে ব্যবসা করতে উনাদের অসুবিধার সন্মুখিন হতে হয়। প্রখর রোদের ফলে উনাদের অধিকাংশ সব্জী নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টিতেও উনারা বিশেষ অসুবিধার সম্নুখিন হতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলে এই মাঠটি জলে ও কাঁদায় পরিপূর্ন হয়ে যায়। এতে করে অধিকাংশ লোকজন বাজারমুখী হতে চান না। এই ব্যাপারে মহকুমা শাসককে জানালে মহকুমা শাসক এক সাপ্তাহের মধ্যে পদক্ষেপ গ্রহন করার পতিশ্রতি দিয়ে কেটে পরেন বলে অভিযোগ। এই নিয়ে এক সব্জী ব্যবসায়ী জানান, বর্তমানে শান্তিরবাজারে অধিকাংশ সব্জী ব্যবসায়ী বাজারে আসছেন না। এর কারন অর্থের অভাব ও উৎপাদিত ফসলের অভাব। মহকুমার বাইরে থেকে সব্জী না আসার কারনে অনেক ব্যবসায়ী আর বাজারে আসছেন না। এখন হতেগুনা কিছু ব্যবসায়ী ব্যবসা করে যাচ্ছে। উনারা চাইছেন উনারা পূর্বের জায়গায় ফিরে যেতে। এতে করে উনারা স্বতস্ফূর্তভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে উনাদের ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন।