বিশ্বেশর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ২১ আগস্ট || রাজ্য সরকার চাইছে কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করতে। রাজ্য সরকারের এই উদ্দ্যেশ্যকে সাফল্যমন্ডীত করতে কাজ করে যাচ্ছে বগাফা কৃষি দপ্তর। বগাফা কৃষি দপ্তরের তত্বাবধায়ক সুজিত কুমার দাস বগাফা কৃষি দপ্তরের দায়িত্বে আসার পর থেকে তিনি প্রতিনিয়ত কৃষকদের পাশে গিয়ে কিভাবে কৃষিজ ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি করা যায় তার পরামর্শ প্রদান করে যাচ্ছেন। তত্বাবধায়ক সুজিত কুমার দাস প্রতিনিয়ত উন্নতমানের কৃষিজ যন্ত্রাংশ কৃষকদের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। বিগত দিনে শান্তিরবাজারের কৃষকরা শুধু মাত্র একটি কোম্পানির মেশিন ক্রয় করতো অন্যকোনো কোম্পানির মেশিন সম্পর্কে কৃষকরা জানতো না। সুজিত কুমার দাস আসার পর থেকে অনেক কোম্পানির কৃষিজ যন্ত্রাংশের সঙ্গে কৃষকদের পরিচিতি করা হয়েছে। কৃষকরা নিজ পছন্দমতো যন্ত্রাংশ যাচাই করে ক্রয় করার ব্যাবস্থা করে দিয়েছেন তত্বাবধায়ক। যার ফলে শান্তিরবাজারের কিছু অসাধু ব্যাবসায়ীরা নিজেদের মনুফা কমে যাওয়ায় প্রতিনিয়ত তত্বাবধায়ককে সরিয়ে দিতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অসাধু ব্যবসায়ীদের সপ্ন পূরনের পথে। বর্তমানে তত্বাবধায়কের বদলির আদেশ বের হয়েছে। সুজিত কুমার দাস অন্যত্র যাবার পূর্বেও কৃষকদের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। কৃষি দপ্তরের উদ্দ্যোগে শান্তিরবাজার পৌর এলাকার ত্রিপুরা শহরী আজীবিকা মিশনের এ এল এফ ভাগীরথী স্ব-সহায়ক দলকে ৯৫ শতাংশ সাবসিডির মাধ্যমে কৃষিজ যন্ত্রাংশ বিতরণ করা হয়। এই প্রকল্পে কৃষি দপ্তর সারে নয় লক্ষ টাকা প্রদান করেছে, বাকি ৫০ হাজার টাকা বেনিফিসারী প্রদান করবে। এই গ্রুপের মধ্যে দুইটি পাওয়ারটিলার, দুইটি ধান কাটার মেশিন, দুইটি পেডিথ্রেসার সহ বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এদিন এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শান্তিরবাজার পুর পরিষদের চেয়ারম্যান সপ্না বৈদ্য, কাউন্সিলার রাজীব চক্রবর্তী, কাউন্সিলার নেপাল চন্দ্র দাস, কাউন্সিলার সজল দাস, বগাফা কৃষি দপ্তরের তত্বাবধায়ক সুজিত কুমার দাস। এই কর্মসূচী সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমের সামনে জানান সুজিত কুমার দাস। বর্তমানে শান্তিরবাজারের কৃষকরা চাইছে কৃষকদের উন্নয়নে তত্বাবধায়ক সুজিত কুমার দাসকে যেন বগাফা কৃষি দপ্তরে রাখা হয়।
