বাইখোড়া ইস্কন পরিচালিত জগন্নাথ জিউ মন্দিরের প্রভুজীর নামে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে থানায় মামলা

বিশ্বশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১৮ জুন || বিগত কিছুদিন যাবৎ সামাজিক মাধ্যমে কৃতিময় আসলং নামে এক যুবক নিজ ফেইজবুক আইডি থেকে বাইখোড়া ইস্কন পরিচালিত জগন্নাথ জিউ মন্দিরে প্রভুজি করুনেশ্বর মাধব দাসের নামে বিভিন্ন প্রকাররের অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এরইমধ্যে সামাজিক মাধ্যম ছারাও কিছু সংখ্যক সংবাদপত্র বিজ্ঞানের মাধ্যমে ইস্কনের ত্রিপুরা রাজ্যের প্রধান পুরহিত প্রেমাদত্ত দাসকে দিয়ে কিছু মন্তব্য লিখিয়ে প্রকাশ করা হয়। এই মম্তব্যগুলি ভিত্তিহিন বলে নিজেই সংবাদমাধ্যমের সন্মুখিন হয়ে জানালেন প্রধান পুরহিত প্রেমাদত্ত দাস। বুধবার তিনি বাইখোড়াস্থিত ইস্কন পরিচালিত জগন্নাথ জিউ মন্দিরে বসে লিখিত আকারে জানান দেন ও সংবাদ মাধ্যমের সন্মুখিন হয়ে জানান, উনাকে ভুল বুঝিয়ে কৃতিময় আসলং এই কাজ করেছেন তার জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। এই সাংবাদিক সন্মেলনে তিনি জানান, বাইখোড়া ইস্কন পরিচালিত জগন্নাথ জিউ মন্দিরের প্রভু করুনেশ্বর মাধব দাস একজন সৎ ব্যক্তি। তিনি সত্য নিষ্ঠার সহিত মন্দিরে ভগবানের সেবা করে যাচ্ছেন। বিগত কিছুবছর পূর্বে বাইখোড়া থানা সংলগ্ন এলাকায় জগন্নাথ মন্দির জরাজির্ন অবস্থায় ছিলো। এই মন্দিরের দায়িত্বে দেওয়া হয় ইস্কনকে। ইস্কনকে দায়িত্ব দেওয়ার পর মন্দিরের দায়িত্বে আসে প্রভু করুনেশ্বর মাধব দাস। প্রভুর অক্লান্ত প্রচেষ্টায় এই মন্দির সমগ্র ত্রিপুরা রাজ্যের পাশাপাশি ভারতের বিভিন্ন জায়গায় বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছে। সমগ্র ত্রিপুরা রাজ্যে বাইখোড়া ইস্কন পরিচালিত জগন্নাথ জিউ মন্দিরের রথযাত্রা দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। প্রভু করুনেশ্বর মাধব দাসের উদ্দ্যোগে বাইখোড়া ইস্কন পরিচালিত জগন্নাথ জিউ মন্দির নতুন ভাবে নির্মান করা হচ্ছে। প্রভুর এই সকল উন্নয়নমূলক কাজ সহ্য করতে পারছে না কিছু সংখ্যক কুচক্রীরা। এই কুচক্রীরা রথযাত্রার প্রাকমুহুর্তে প্রভুর নামে অপপ্রচার করে রথ যাত্রা ও মন্দিরের উন্নয়ন স্তদ্ধ করতে চাইছে। মুষ্টিময় কয়েকজন মন্দিরের উন্নয়ন না চাইলেও অধিকাংশ লোকজন প্রভু করুনেশ্বর মাধব দাসের পাশে রয়েছে। সকলে চাইছে বাইখোড়া ইস্কন পরিচালিত জগন্নাথ জিউ মন্দিরের জন্য কাজ করে যাক প্রভু করুনেশ্বর মাধব দাস। প্রভু করুনেশ্বর মাধব দাস সকলের মনে বিশেষ স্থান অর্জন করেছে। তাই জগন্নাথ ওয়েলফেয়ার কমিটি থেকে অপপ্রচারকারীর বিরুদ্ধে বাইখোড়া থানায় একটি লিখিত মামলা দায়ের করেন।

FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*