সাগর দেব, তেলিয়ামুড়া, ১১ জানুয়ারি || তেলিয়ামুড়া শহরের ডি.এস মোটরস নামে একটি বাইক ও স্কুটি শোরুমের বিরুদ্ধে গ্রাহক প্রতারণার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী রতিয়া সাউথ দুর্গাপুর এলাকার বাসিন্দা রশ্মিতা সেন। খবরে জানা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে রশ্মিতা সেন তার একটি ব্যবহারিত বাইক এক্সচেঞ্জ করে এবং নগদ ১৫ হাজার টাকা প্রদান করে ডি.এস মোটরস থেকে একটি নতুন স্কুটি ক্রয় করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, শোরুম কর্তৃপক্ষ এক্সচেঞ্জ করা পুরনো বাইকের কোনও লিখিত প্রমাণপত্র প্রদান করেনি। পাশাপাশি গ্রাহকের দেওয়া নগদ ১৫ হাজার টাকার অর্থ এবং এক্সচেঞ্জ করা পুরনো বাইকটির অর্থ নতুন স্কুটির মোট মূল্য থেকে ছাড় দেওয়া হয়নি। বরং সম্পূর্ণ স্কুটি মূল্যের টাকা ইএমআই-এর মাধ্যমে পরিশোধ করতে গ্রাহকের উপর চাপ সৃষ্টি করা হয় বলে অভিযোগ।
এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, স্কুটি ক্রয়ের সময় শোরুম কর্তৃপক্ষ কোনও বিল, ভাউচার বা ক্যাশ মেমো প্রদান করেনি। বিষয়টি নিয়ে গত তিন দিন ধরে গ্রাহক একাধিকবার শোরুম কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করলেও সমস্যার কোনও সুরাহা মেলেনি। উল্টে কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে গ্রাহককে বারবার হয়রানির শিকার হতে হয়েছে বলেও অভিযোগ সামনে এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডি.এস মোটরসের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ নতুন নয়। অতীতেও একাধিকবার গ্রাহক প্রতারণা ও হয়রানির অভিযোগ ঘিরে সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছিল এই শোরুমের নাম।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তেলিয়ামুড়া এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতারণার শিকার রশ্মিতা সেন বিষয়টি নিয়ে তেলিয়ামুড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। দ্রুত ন্যায়বিচার ও ঘটনার সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে কোনও গ্রাহক এই ধরনের প্রতারণার শিকার না হন, সে বিষয়ে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিযোগকারী।
