গোপাল সিং, খোয়াই, ২৮ মার্চ || খোয়াই থানাধীন দুর্গানগর এলাকায় এক গৃহবধূর উপর হামলা ও শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার পর নির্যাতিতা নিজে থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ মামলা গ্রহণ করে তদন্ত শুরু করে এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২৭শে মার্চ সকালে দুর্গানগর এলাকায় নিজের বাড়িতে কাজ করছিলেন এক গৃহবধূ। সেই সময় অভিযুক্ত রতন সাহা তাঁর বাড়ির সামনে এসে তাকে জোরপূর্বক আক্রমণ করে। অভিযোগ, অভিযুক্ত তাকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে এবং তার পরিধেয় পোশাক খুলে শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালায়।
নির্যাতিতা অভিযোগ করেন, তিনি বাঁধা দিলে অভিযুক্ত তাকে শারীরিকভাবে মারধর করে, গলা ও বুকে আঘাত করে। এই সময় তার অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর নির্যাতিতা খোয়াই মহিলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। মামলা নং- 2026 WKH005। এদিকে অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩২৯(৩)—জোড়পূর্বক বাড়ীতে অনধিকার প্রবেশ, ৭৪— কোনো নারীর শালীনতা নষ্ট করার উদ্দেশ্যে তাকে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করা একটি গুরুতর অপরাধ, ৬৪ ও ৬২ — ধর্ষন করার চেষ্টা এবং ১১৫(২) —সামান্য আঘাত সংক্রান্ত ধারায় মামলা রুজু করা হয় এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করে। কিন্তু জনগণের প্রশ্ন, ১১৫(২) ধারার সাথে ১১৬ নং ধারা বাদ দেওয়া হলো কেন? উল্লেখ্য, ১১৬ “গুরুতর আঘাত” বা স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত করার অপরাধকে সংজ্ঞায়িত এবং শাস্তিযোগ্য করে।
এদিকে মামলা হাতে নিয়ে গোটা ঘটনায় অভিযুক্ত রতন সাহাকে পুলিশ জালে তুলতে সক্ষম হয়।
