গোপল সিং, খোয়াই, ১৩ জুন || শনিবার খোয়াই পুরাতন টাউন হলে ভারতীয় জনতা পার্টির উদ্যোগে অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন হলো প্রধানমন্ত্রী হিসাবে সর্বোচ্চ নরেন্দ্র মোদী’র ১২-বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘বিশ্বাস, বিকাশ ও জনকল্যাণ, ‘বিকশিত ভারত’ শীর্ষক পেশাজীবী ও বুদ্ধিজীবী সম্মেলন। খোয়াই জেলা ও মহকুমা স্তরের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট পেশাজীবী এবং বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে এদিনের এই সম্মেলন এক বিশেষ মাত্রা লাভ করে।
আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ বুদ্ধিজীবী সম্মেলনে মঞ্চ আলো করে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি প্রদেশ কমিটির অন্যতম বরিষ্ঠ সদস্য এম. কে. নাথ, কল্যাণপুর-প্রমোদনগর বিধানসভা কেন্দ্রের জনপ্রিয় বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরী, বিজেপি খোয়াই জেলা কমিটির সভাপতি বিনয় দেববর্মা, খোয়াই জিলা পরিষদের সভাধিপতি অপর্ণা সিংহরায়, খোয়াই পুর পরিষদের কাউন্সিলার পীযূষ কান্তি চৌধুরী সহ অন্যান্যরা। ছিলেন বিজেপি নেতা ও ত্রিপুরা বক্সিং এসোসিয়েশন এর রাজ্য সভাপতি অভিজিৎ দত্ত ভৌমিক সহ দলের অন্যান্য স্তরের শীর্ষ নেতৃত্ব ও কার্যকর্তারা।
সম্মেলনে আলোচনা করতে গিয়ে বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরী বিরোধী রাজনৈতিক দল ও তাদের আদর্শের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “বিগত দিনে পশ্চিমা শক্তি তথা বিদেশী রাজনৈতিক আদর্শকে পাথেয় মেনে এরাজ্যের মানুষের ভাগ্যে কিছুই জোটেনি। যারা এখনও সেই পুরনো ও ব্যর্থ আদর্শে বিশ্বাসী, তারাই আজ রাজ্যের প্রকৃত বিকাশে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।” তিনি আরও যোগ করে বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে ত্রিপুরার বুক চিরে যখন আধুনিক জাতীয় সড়ক নির্মাণ ও অন্যান্য মেগা পরিকাঠামোগত উন্নয়ন হচ্ছে, তখন সেই বিরোধী মানসিকতার মানুষজন কেবল ঘরের কোনায় বসে উন্নয়নমূলক কাজের সমালোচনা করতে ব্যস্ত।
উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে বিধায়ক বলেন, আজ দেশ ও রাজ্য অন্যের ওপর নির্ভর না করে সম্পূর্ণ নিজের পায়ে দাঁড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছে। দেশের যশস্বী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতকে আত্মনির্ভর করে গড়ে তোলার সেই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়েই দিনরাত কাজ করে চলছেন। যুবসমাজ ও নারীদের স্বাবলম্বী করার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর ‘ভোকাল ফর লোকাল’ স্লোগান এবং স্বসহায়ক দলগুলির অভূতপূর্ব সাফল্যের বাস্তব চিত্র এদিনের মঞ্চ থেকে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন তিনি। এই সাফল্যের ধারাকে বজায় রেখে বর্তমান প্রজন্মকে আত্মনির্ভরতার পথে এগিয়ে আসার জন্য জোরালো আহ্বান জানান বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরী। সম্মেলনে উপস্থিত অন্যান্য বক্তারাও কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের গত ১২ বছরের বিভিন্ন জনকল্যাণমুখী প্রকল্প ও ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার সংকল্পের কথা বুদ্ধিজীবীদের সামনে ব্যাখ্যা করেন।
