বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১২ অক্টোবর ৷৷ ১৯৮৮ সালে ১২ ই অক্টোবর ঠিক আজকের দিনে কংগ্রেস ঘাতক বাহিনীর হাতে শহিদ হয়েছিল সি পি আই (এম) সমর্থীত ১২ জন কর্মী এবং শ্রীদাম পালের দুইজন দেহরক্ষী। ভোটের প্রাকমুহুর্তে তাদের স্মরন করার জন্য শান্তির বাজার মহকুমার বীরচন্দ্র মনুতে অনুষ্ঠিত হল ৩০তম শহীদ দান দিবস ও প্রকাশ্য সমাবেশ। এই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সি পি আই (এম) পলিট ব্যুরোর সদস্য প্রকাশ কারাত, মূখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার, সাংসদ জিতেন্দ্র চৌধুরী, স্বাস্থ্য দপ্তরের মন্ত্রী বাদল চৌধুরী, কারা ও আদিম জাতী দপ্তরের মন্ত্রী মনিন্দ্র রিয়াং, পর্যটন দপ্তরের মন্ত্রী রতন ভৌমিক, বিধানসভার মুখ্য সচেতক বাসুদেব মজুমদার ও অন্যান্য নেতৃত্ববর্গ। অনুষ্ঠানের শুরুতে শহিদ বেদীতে পুস্প মাল্য প্রদান করেন শহীদদের পরিবারের লোকজন সহ উপস্থিত সকলে। পরবর্তী সময় বীরচন্দ্র স্কুল ময়দানে প্রকাশ্য ঐতিহাসিক জমায়েতের আয়োজন করা হয়। প্রকাশ্য জমায়েতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বক্তারা শহিদের স্মৃতিতে শ্রদ্বাজানিয়ে কেন্দ্রিয় সরকারের বিভিন্ন বঞ্চনার কথা তুলে ধরেন। আগামী ১৮-র নির্বাচনে ত্রিপুরার লোকজন বিজেপিকে যোগ্য জবাব দিয়ে সিপি আই (এম) কে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করবে বলে বক্তারা আশাব্যক্ত করেন।৩০তম শহীদ দান দিবস ও প্রকাশ্য সমাবেশ অনুষ্ঠিত বীরচন্দ্র মনুতে
বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১২ অক্টোবর ৷৷ ১৯৮৮ সালে ১২ ই অক্টোবর ঠিক আজকের দিনে কংগ্রেস ঘাতক বাহিনীর হাতে শহিদ হয়েছিল সি পি আই (এম) সমর্থীত ১২ জন কর্মী এবং শ্রীদাম পালের দুইজন দেহরক্ষী। ভোটের প্রাকমুহুর্তে তাদের স্মরন করার জন্য শান্তির বাজার মহকুমার বীরচন্দ্র মনুতে অনুষ্ঠিত হল ৩০তম শহীদ দান দিবস ও প্রকাশ্য সমাবেশ। এই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সি পি আই (এম) পলিট ব্যুরোর সদস্য প্রকাশ কারাত, মূখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার, সাংসদ জিতেন্দ্র চৌধুরী, স্বাস্থ্য দপ্তরের মন্ত্রী বাদল চৌধুরী, কারা ও আদিম জাতী দপ্তরের মন্ত্রী মনিন্দ্র রিয়াং, পর্যটন দপ্তরের মন্ত্রী রতন ভৌমিক, বিধানসভার মুখ্য সচেতক বাসুদেব মজুমদার ও অন্যান্য নেতৃত্ববর্গ। অনুষ্ঠানের শুরুতে শহিদ বেদীতে পুস্প মাল্য প্রদান করেন শহীদদের পরিবারের লোকজন সহ উপস্থিত সকলে। পরবর্তী সময় বীরচন্দ্র স্কুল ময়দানে প্রকাশ্য ঐতিহাসিক জমায়েতের আয়োজন করা হয়। প্রকাশ্য জমায়েতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বক্তারা শহিদের স্মৃতিতে শ্রদ্বাজানিয়ে কেন্দ্রিয় সরকারের বিভিন্ন বঞ্চনার কথা তুলে ধরেন। আগামী ১৮-র নির্বাচনে ত্রিপুরার লোকজন বিজেপিকে যোগ্য জবাব দিয়ে সিপি আই (এম) কে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করবে বলে বক্তারা আশাব্যক্ত করেন।