বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১৩ অক্টোবর ৷৷ দক্ষিন ত্রিপুরার জেলা হাসপাতাল শান্তির বাজারে নির্মান করা হয়। আর এই হাসপাতালটি বিভিন্ন সমস্যায় জরজরিত যা মন্ত্রী বাদল চৌধুরী নিজ মুখে স্বীকার করেছেন। এই সকল সমস্যা সমাধানের জন্য শান্তির বাজার জেলা হাসপাতালে এক বৈঠক সংগঠিত হয়। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের কারা দপ্তরের মন্ত্রী মনিন্দ্র রিয়াং , সি এম ও জগদীশ নমঃ, জেলা হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার ও স্টাপনার্স। বৈঠক শেষে হাসপাতালের দুর্বলতার কথা মন্ত্রী মহোদয় সংবাদ মাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। এই হাসপাতাল ধংসের মূল কান্ডারি এম এস বিষ্ণুপদ দে। এম এস এর এই ধরনের কার্যকলাপে ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্য দপ্তরের মন্ত্রী বাদল চৌধুরী। মন্ত্রী জানান, এম এস এর বেপারে উদ্ধতর মহলে জানানো হয়েছে এর একটা উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মন্ত্রী সংবাদ মাধ্যমের সামনে জানান, এই হাসপাতালের ঘর নির্মানের কাজ খুবই নিম্ন মানের হয়েছে যা সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেননা এখন বৃষ্টিহলে ছাঁদ থেকে জল পরে। তিনি এই ছাঁদ মেরামতের জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। মন্ত্রী সংবাদ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সকল গর্ভবতী মায়েদের এই বার্তা দিতে চেয়েছেন তারা যেন তাদের প্রসব এই হাসপাতালে করান যাতে করে তাদের ছোট শিশু সুস্থ্যভাবে এই দুনিয়ার আলো দেখতে পারে। তিনি এও জানান সরকার প্রচেষ্টা করছে হাসপাতালে মুমুর্ষ রুগি যেন ৮০ শতাংশ বিনাখরচায় চিকিৎসা করতো পারে। পরবর্তী সময় এই ৮০ শতাংশকে ১০০ শতাংশে পরিনত করা হবে।হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্য মন্ত্রী এবং কারা মন্ত্রী
বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১৩ অক্টোবর ৷৷ দক্ষিন ত্রিপুরার জেলা হাসপাতাল শান্তির বাজারে নির্মান করা হয়। আর এই হাসপাতালটি বিভিন্ন সমস্যায় জরজরিত যা মন্ত্রী বাদল চৌধুরী নিজ মুখে স্বীকার করেছেন। এই সকল সমস্যা সমাধানের জন্য শান্তির বাজার জেলা হাসপাতালে এক বৈঠক সংগঠিত হয়। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের কারা দপ্তরের মন্ত্রী মনিন্দ্র রিয়াং , সি এম ও জগদীশ নমঃ, জেলা হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার ও স্টাপনার্স। বৈঠক শেষে হাসপাতালের দুর্বলতার কথা মন্ত্রী মহোদয় সংবাদ মাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। এই হাসপাতাল ধংসের মূল কান্ডারি এম এস বিষ্ণুপদ দে। এম এস এর এই ধরনের কার্যকলাপে ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্য দপ্তরের মন্ত্রী বাদল চৌধুরী। মন্ত্রী জানান, এম এস এর বেপারে উদ্ধতর মহলে জানানো হয়েছে এর একটা উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মন্ত্রী সংবাদ মাধ্যমের সামনে জানান, এই হাসপাতালের ঘর নির্মানের কাজ খুবই নিম্ন মানের হয়েছে যা সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেননা এখন বৃষ্টিহলে ছাঁদ থেকে জল পরে। তিনি এই ছাঁদ মেরামতের জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। মন্ত্রী সংবাদ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সকল গর্ভবতী মায়েদের এই বার্তা দিতে চেয়েছেন তারা যেন তাদের প্রসব এই হাসপাতালে করান যাতে করে তাদের ছোট শিশু সুস্থ্যভাবে এই দুনিয়ার আলো দেখতে পারে। তিনি এও জানান সরকার প্রচেষ্টা করছে হাসপাতালে মুমুর্ষ রুগি যেন ৮০ শতাংশ বিনাখরচায় চিকিৎসা করতো পারে। পরবর্তী সময় এই ৮০ শতাংশকে ১০০ শতাংশে পরিনত করা হবে।