বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১৪ মে ৷৷ টি আর পি এবং পি টি জি দপ্তর থেকে সঠিক সময়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স না পেয়ে অফিসারকে তালা বন্ধী করলো বিক্ষিপ্ত বেনিফিসারীরা। শান্তির বাজার মহকুমার অন্তর্গত লেনিন কলোনী এলাকায় এই অফিসটি অবস্থীত। গত ২০১৭ অর্থবর্ষে উপজাতি পুরুষ বেনিফিসারীকে কর্মসস্থানের ব্যবস্থা করে দিতে টি আর পি এবং পি টি জি দপ্তরের উদ্দ্যোগে ড্রাইভিং প্রশিক্ষন দেওয়া হয়। মোট ৮২ জন বেনিফিসারীকে এই প্রশিক্ষন দেওয়া হয়। প্রত্যেক বেনিফিসারীকে বলা হয়েছে ট্রেনিং শেষে সাবাইকে সরকারী খরচায় ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দেওয়া হবে। যার ফলে ট্রেনিং শেষে সকলের কাগজ পত্র জমা নিয়ে লারনার দিয়েছে। পরবর্তী সময় বেনিফিসারীরা ড্রাইভিং এর জন্য আবেদনকরে সব কাগজপত্র জমা দিয়েছে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। বিগত মাসে পোগ্রাম অফিসার সঞ্জীত সরকারের নিকট বেনিফিসারীরা এই সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি ড্রাইভিং প্রশিক্ষক সংস্থার হয়ে লিখিত দিয়ে সাক্ষী হিসাবে সই করে দেন। পোগ্রাম অফিসার সঞ্জীব সরকার লিখিত দেন গত ৩০-০৪-২০১৮ তারিখ সকল বেনিফিসারীকে ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে দেবেন। উনার এই ধরনের পতিশ্রুতি পেয়ে সকল বেনিফিসরী নিজ নিজ ঘরে চলে যায়। এতদিন অতিক্রান্ত হবার পরও সঞ্জীব সরকার নিজ দায়িত্ব পালন করতে অক্ষম হন। যার ফলে সকল বেনিফিসারী আজ দুইটা নাগাদ অফিসে এসে ক্ষুব্ধ হয়ে সঞ্জীব বাবুকে তালাবন্ধী করেন। এই ঘটনা সম্পর্কে সংবাদমাধ্যম সঞ্জীব বাবুর কাছে জানতে চাইলে তিনি মুখে কুলুপেতে নিরব ভূমিকা পালন করেন। উনার নিরবতার মধ্যদিয়ে উনার ব্যার্থতার পরিচয় দেন তিনি। এখন সকল বেনিফিসারীর দাবি উনাকে সরিয়ে নতুন অফিসার নিয়োগ করা হোক। আর বিগত দিনের উন্নয়নের নামে যে সকল সরকারী টাকা হাফিস করেছে তার হিসাব চাওয়া হোক। সকলে চাইছে বর্তমান রাজ্য সরকার যেন এই বিষয়ে সঠিক নজর দেন। তাদের উন্নয়নের স্বার্থে অতিশিঘ্রই ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করা হোক। দীর্ঘ ৪ ঘন্টা তালাবন্ধী থাকার পর শান্তির বাজার আরক্ষা দপ্তরের কর্মীরা এসে পোগ্রাম অফিসারকে তালামুক্ত করেন।ড্রাইভিং লাইসেন্স না পেয়ে অফিসারকে তালা বন্ধী
বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১৪ মে ৷৷ টি আর পি এবং পি টি জি দপ্তর থেকে সঠিক সময়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স না পেয়ে অফিসারকে তালা বন্ধী করলো বিক্ষিপ্ত বেনিফিসারীরা। শান্তির বাজার মহকুমার অন্তর্গত লেনিন কলোনী এলাকায় এই অফিসটি অবস্থীত। গত ২০১৭ অর্থবর্ষে উপজাতি পুরুষ বেনিফিসারীকে কর্মসস্থানের ব্যবস্থা করে দিতে টি আর পি এবং পি টি জি দপ্তরের উদ্দ্যোগে ড্রাইভিং প্রশিক্ষন দেওয়া হয়। মোট ৮২ জন বেনিফিসারীকে এই প্রশিক্ষন দেওয়া হয়। প্রত্যেক বেনিফিসারীকে বলা হয়েছে ট্রেনিং শেষে সাবাইকে সরকারী খরচায় ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দেওয়া হবে। যার ফলে ট্রেনিং শেষে সকলের কাগজ পত্র জমা নিয়ে লারনার দিয়েছে। পরবর্তী সময় বেনিফিসারীরা ড্রাইভিং এর জন্য আবেদনকরে সব কাগজপত্র জমা দিয়েছে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। বিগত মাসে পোগ্রাম অফিসার সঞ্জীত সরকারের নিকট বেনিফিসারীরা এই সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি ড্রাইভিং প্রশিক্ষক সংস্থার হয়ে লিখিত দিয়ে সাক্ষী হিসাবে সই করে দেন। পোগ্রাম অফিসার সঞ্জীব সরকার লিখিত দেন গত ৩০-০৪-২০১৮ তারিখ সকল বেনিফিসারীকে ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে দেবেন। উনার এই ধরনের পতিশ্রুতি পেয়ে সকল বেনিফিসরী নিজ নিজ ঘরে চলে যায়। এতদিন অতিক্রান্ত হবার পরও সঞ্জীব সরকার নিজ দায়িত্ব পালন করতে অক্ষম হন। যার ফলে সকল বেনিফিসারী আজ দুইটা নাগাদ অফিসে এসে ক্ষুব্ধ হয়ে সঞ্জীব বাবুকে তালাবন্ধী করেন। এই ঘটনা সম্পর্কে সংবাদমাধ্যম সঞ্জীব বাবুর কাছে জানতে চাইলে তিনি মুখে কুলুপেতে নিরব ভূমিকা পালন করেন। উনার নিরবতার মধ্যদিয়ে উনার ব্যার্থতার পরিচয় দেন তিনি। এখন সকল বেনিফিসারীর দাবি উনাকে সরিয়ে নতুন অফিসার নিয়োগ করা হোক। আর বিগত দিনের উন্নয়নের নামে যে সকল সরকারী টাকা হাফিস করেছে তার হিসাব চাওয়া হোক। সকলে চাইছে বর্তমান রাজ্য সরকার যেন এই বিষয়ে সঠিক নজর দেন। তাদের উন্নয়নের স্বার্থে অতিশিঘ্রই ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করা হোক। দীর্ঘ ৪ ঘন্টা তালাবন্ধী থাকার পর শান্তির বাজার আরক্ষা দপ্তরের কর্মীরা এসে পোগ্রাম অফিসারকে তালামুক্ত করেন।