দেবজিত চক্রবর্তী, আগরতলা, ৬ জানুয়ারী ।। ১৯৭০ সালে রাষ্ট্রীয় সংস্থান বিশেষ লক্ষ্য কে সামনে রেখে যাত্রা শুরু করেছিল। মূলত সংস্কৃতের মতো ভাষার লালন পালন, সংরক্ষন, ব্যাপক প্রসারের কাজে রাষ্ট্রীয় সংস্কৃত সংস্থান। সংস্কৃত ভাষার বিকাশে সংস্থার গোটা দেশে ১১টি ক্যাম্পাস রয়েছে। ত্রিপুরায় সংস্থার স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান একলব্য ক্যাম্পাসের অংশ গ্রহনে রাষ্ট্রীয় সংস্কৃত সংস্থানের ব্যবস্থাপনায় রাজ্যে ৬ থেকে ৯ই জানুয়ারী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। মঙ্গলবার শহরের স্বামী বিবেকানন্দ ময়দানে দ্বিতীয় সারা ভারত আন্তঃ সংস্কৃত ইউনিভার্সিটির যুব উৎসবের অঙ্গ হিসেবে আয়োজিত হয় খেলাধুলার ইভেন্ট।
স্বামী বিবেকানন্দ ময়দানে পতাকা উত্তোলন করেন উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী তপন চক্রবর্তী, রঙ্গিন বেলুন এবং আকাশের বুকে শান্তির দূত পায়রা উড়িয়ে দেয়া হয়। রাষ্ট্রীয় সংস্কৃত সংস্থানের ক্রীড়ানুষ্ঠানে পুত পবিত্র মশাল নিয়ে মাঠ পরিক্রমা করা হয়, মশাল প্রতিস্থাপন করেন রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী তপন চক্রবর্তী, সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী শহীদ চৌধুরী।
