আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৫ অক্টোবর ৷। হস্ততাত শিল্পের মাধ্যমে রাজ্যের ঐতিহ্য পরিচয় দেওয়া যায়। ত্রিপুরার তৈরি বাঁশ বেতের যে সমস্ত জিনিসগুলো অন্য রাজ্যে জনগণ ব্যবহার করেন। তাতে করে রাজ্যের হস্তশিল্পকে মজবুত করতে সাহায্য করে। বাঁশ বেতের তৈরি যে সমস্ত জিনিসগুলো রাজ্যের গ্রাম পাহাড়ে বানানো হচ্ছে তাদের কিন্তু একাংশ জনগণ জীবিকা নির্বাহ করছে। তাই রাজ্যের বর্তমান সরকার বাঁশবেত শিল্পকে আরো বেশি করে প্রচার করার জন্য বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। তাতে করে গ্রাম পাহাড়ের লোকেরা ও শিল্পের মাধ্যমে অনায়াসে ভালোভাবে ব্যবসা করে দিনযাপন করতে অসুবিধা হবে না। বৃহস্পতিবার আগরতলার লিচুবাগানস্থিত বাম্বু কেন ডেভলপমেন্ট ইনস্টিটিউটে বাঁশ বেতের তৈরি রুপোর সেমিনারে অংশ নিয়ে একথা বলেন রাজ্যের উপ-মুখ্যমন্ত্রী যীষ্ণু দেববর্মা। এদিন ফিতা কেটে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন উপ-মুখ্যমন্ত্রী। উপস্থিত ছিলেন দপ্তরের অন্যান্য আধিকারিকরা। রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্য আধিকারিকরা প্রদর্শনী শিবির ঘুরে দেখেন। এদিনের এই সেমিনারে রাজ্যের উপ-মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য রাখতে গিয়ে জানান, রাজ্যে যেসব শিল্পীরা বাঁশবেতের উপর কাজ করে চলছেন তাদেরকে আরো উৎসাহিত করা দরকার। তার জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী এই শিল্পের উপর যেরকম জোর দিয়েছেন তেমনি রাজ্য সরকার সে শিল্পের ঐতিহ্য কে বাঁচিয়ে রাখার জন্য নানা ধরনের কর্মসূচি হাতে নিয়ে শিল্পীদেরকে সাহায্য করছেন বলে জানান তিনি।হস্ততাত শিল্পের মাধ্যমে রাজ্যের ঐতিহ্য পরিচয় দেওয়া যায় – উপ-মুখ্যমন্ত্রী
আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৫ অক্টোবর ৷। হস্ততাত শিল্পের মাধ্যমে রাজ্যের ঐতিহ্য পরিচয় দেওয়া যায়। ত্রিপুরার তৈরি বাঁশ বেতের যে সমস্ত জিনিসগুলো অন্য রাজ্যে জনগণ ব্যবহার করেন। তাতে করে রাজ্যের হস্তশিল্পকে মজবুত করতে সাহায্য করে। বাঁশ বেতের তৈরি যে সমস্ত জিনিসগুলো রাজ্যের গ্রাম পাহাড়ে বানানো হচ্ছে তাদের কিন্তু একাংশ জনগণ জীবিকা নির্বাহ করছে। তাই রাজ্যের বর্তমান সরকার বাঁশবেত শিল্পকে আরো বেশি করে প্রচার করার জন্য বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। তাতে করে গ্রাম পাহাড়ের লোকেরা ও শিল্পের মাধ্যমে অনায়াসে ভালোভাবে ব্যবসা করে দিনযাপন করতে অসুবিধা হবে না। বৃহস্পতিবার আগরতলার লিচুবাগানস্থিত বাম্বু কেন ডেভলপমেন্ট ইনস্টিটিউটে বাঁশ বেতের তৈরি রুপোর সেমিনারে অংশ নিয়ে একথা বলেন রাজ্যের উপ-মুখ্যমন্ত্রী যীষ্ণু দেববর্মা। এদিন ফিতা কেটে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন উপ-মুখ্যমন্ত্রী। উপস্থিত ছিলেন দপ্তরের অন্যান্য আধিকারিকরা। রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্য আধিকারিকরা প্রদর্শনী শিবির ঘুরে দেখেন। এদিনের এই সেমিনারে রাজ্যের উপ-মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য রাখতে গিয়ে জানান, রাজ্যে যেসব শিল্পীরা বাঁশবেতের উপর কাজ করে চলছেন তাদেরকে আরো উৎসাহিত করা দরকার। তার জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী এই শিল্পের উপর যেরকম জোর দিয়েছেন তেমনি রাজ্য সরকার সে শিল্পের ঐতিহ্য কে বাঁচিয়ে রাখার জন্য নানা ধরনের কর্মসূচি হাতে নিয়ে শিল্পীদেরকে সাহায্য করছেন বলে জানান তিনি।