বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ২৭ জুলাই || বিগতদিনে শান্তিরবাজারে নেশার রমরমা ব্যবাসা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পরও পুলিশ নেশাকারবারীদের টিকির নাগাল পায়নি। এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দিয়েও পুলিশের গাড়ী চালক শিবু দাস ও কনস্টেবেল শুক্লজিৎ দে নেশা কারবারীদের খবর পৌঁছে দেয় বলে অভিযোগ। যার ফলে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নেশাকারাবারীদের আটক করতে সক্ষম হচ্ছে না। অবশেষে এই নেশা কারবারীদের হাত থেকে নিজেদের পরিবারের লোকজনদের রক্ষনার্থে এলাকাবাসী সচেতন হয়ে নেশাকারবারীদের আটক করছে। বিগত কয়েকদিন আগে শান্তিরবাজার পুরাতন হাসপাতাল রোড সংলগ্ন এলাকায় কয়েকজন নেশাকারবারীদের আটক করে এলাকাবাসী। মঙ্গলবার রাত্রিবেলায় পূণরায় শান্তির বাজার সেন্ট্রাল স্কুল সংলগ্ন এলাকায় এক নেশাকারাবারীকে আটক করলো এলাকাবাসী। জানা যায়, ঐ নেশাকারবারীর কাছ থেকে ১৩২ পিস ইয়াবা টেবলেট উদ্ধার করা হয়। এলাকাবাসী যেই নেশাকারবারীকে আটক করেছে তার নাম সঞ্জয় দাস। সঞ্জয় দাস শান্তিরবাজার থানার গাড়ী চালক শিবু দাসের নিকট আত্মীয় বলেও অভিযোগ। সঞ্জয় দাসের আপন ভগ্নীপতী হলো শিবু দাস। বিগতদিনেও শিবু দাসের নামে বিভিন্ন অভিযোগ উঠে এসেছে। এরমধ্যে শিবু দাসের শালা বাবু নেশার ব্যবসার সাথে জরিত থাকায় এলাকাবাসীর দাবী শিবু দাসও এই কাজের সাথে জরিত রয়েছে। যার ফলে শিবু দাস কিছু দিনের মধ্যে শান্তিরবাজারে জায়গাক্রয় করে বিশাল অট্টালিকা তৈরি করছে। শিবু দামী মোবাইল ও স্কুটি নেশাকারবারীদের কাছ থেকে উপহার পেয়েছে বলে জানা যায়। অপরদিকে থানার কনস্টেবেল শুক্লজিৎ দে সাব্রুমে বড় আকারে পেট্রোল পাম্প দিচ্ছে। এই দুই কর্মী শান্তির বাজার থানার সমস্ত খবর নেশাকারবারীদের হাতে সমস্ত তথ্যতুলে দিয়ে মাসিক চাঁদা আদায় করে বলে অভিযোগ। এলাকাবাসী সঞ্জু দাসকে আটক করে শান্তিরবাজার থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এখন দেখার বিষয় নেশাকারবারীর রাঘব বোয়ালকে আটক করতে পুলিশ কতটুকু সক্ষম হয়।
