আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৭ জুন || জয়ের উচ্ছ্বাসে মেতে উঠলেন বিজেপি কর্মীরা। বিজেপি প্রার্থীকে নিয়ে রাজধানীতে বিজয় উৎসব করলেন দলের কর্মীরা। সেই মিছিল বিজেপি’র রাজ্য দপ্তর থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে। বিজয় উৎসবে নেতৃত্ব দিয়েছেন দলের রাজ্য প্রভারি বিনোদ সোনকর, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা এবং দলের অন্যান্য নেতৃত্ব।
উপ-নির্বাচনের ফলাফলে বিপুল জয়ে উচ্ছ্বাসে মেতে উঠলেন বিজেপি কর্মীরা। সোমবার দুপুরে দলের রাজ্য কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে বিজয় মিছিল শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে। সেই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন চার কেন্দ্রের প্রার্থী যথা ৮-টাউন বড়দোয়ালী কেন্দ্রের প্রার্থী ডাঃ মানিক সাহা, ৬-আগরতলা কেন্দ্রের প্রার্থী ডাঃ অশোক সিনহা, ৫৭-যুবরাজ নগর কেন্দ্রের প্রার্থী মলিনা দেবনাথ এবং ৪৬-সুরমা কেন্দ্রের প্রার্থী স্বপ্না দাস পাল। বিজয় মিছিলে নেতৃত্ব দিয়েছেন দলের রাজ্য প্রভারি বিনোদ সোনকর। সেই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরি, দলের বিধায়ক সুরজিত দত্ত, দলের সাধারণ সম্পাদিকা পাপিয়া দত্ত, বিধায়ক রেবতী মোহন দাস, আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার প্রমুখ।
বিজয় মিছিলে অংশ নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা বলেন, এই নির্বাচনে সিপিআই(এম) এবং কংগ্রেসের মিতালি প্রমান হয়েছে চার কেন্দ্রের ফলাফলের মধ্য দিয়ে। যদি সিপিআই(এম) এবং কংগ্রেসের মধ্যে মিতালি না হত তাহলে ৬-আগরতলা কেন্দ্র বিজেপি’র দখলে আসতল। এই জয়কে সুসংহত করেই ২০২৩ এর বিধানসভা নির্বাচনে দলের জয় নিশ্চিত হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।
বিজয় উৎসবে অংশ নিয়ে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, উপ-নির্বাচনে চারটি আসনে বিজেপি’র প্রার্থীরা জয়ী হতে পারেনি। তিন কেন্দ্রের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। সিপিআই(এম) এবং কংগ্রেসের জোটের কারণেই ৬-আগরতলা কেন্দ্রে বিজেপির’ জয় হয়নি। সিপিআই(এম) দলের অধিকাংশ ভোটার কংগ্রেস দলের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন সুশান্ত চৌধুরী।
বিজয় মিছিলে বিজেপি কর্মীদের উপস্থিতি ছিল প্রত্যক্ষ করার মত। বিশেষ করে যুব ও মহিলা মোর্চার কর্মীদের উপস্থিতি ছিল প্রত্যক্ষ করার মত। বিজয় মিছিলকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে ছিল কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
