দীর্ঘদিন ধরে বিকল তেলিয়ামুড়া শহরের ডিজিটাল ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা

সাগর দেব, তেলিয়ামুড়া, ২৫ মার্চ || দীর্ঘদিন ধরে বিকল তেলিয়ামুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ডিজিটাল ট্রাফিক সিগন্যাল, বসন্ত কালের ঘুমে আচ্ছন্ন ট্রাফিক দপ্তর। এই সমস্যা দীর্ঘ প্রায় তিন মাস অতিক্রান্ত হলেও ট্রাফিক সিগন্যাল’টি সারাইয়ের কোন উদ্যোগ গ্রহণ করছে না ট্রাফিক দপ্তর। ফলে ছোট-বড় যানচালক থেকে শুরু করে পথ চলতি সাধারণ মানুষজনদের প্রচন্ডভাবে বেগ পোহাতে হচ্ছে।
জানা যায়, তেলিয়ামুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্র বলে পরিচিত অম্পি চৌমুহনী এলাকায় স্মার্ট সিটি প্রকল্পে লাগানো হয়েছিল তেলিয়ামুড়া বসীর সুবিধার্থে ডিজিটাল ট্রাফিক সিগন্যাল মেশিন। এই ট্রাফিক সিগন্যাল মেশিনটি বসানোর কিছুদিন যেতে না যেতেই মুখ থুবড়ে পড়েছিল। পরবর্তীতে ট্রাফিক দপ্তর ও পৌর পরিষদের তৎকালীন পৌর পিতার তৎপরতায় বিকল সিগন্যাল সচল হয়েছিল। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই ফের শনিবার থেকে প্রায় তিন মাস পূর্বে পুনরায় বিকল হয়ে পড়ে ট্রাফিক সিগন্যাল সহ ট্রাফিক পরিষেবা। কিন্তু সিগন্যাল বিকল হয়ে পড়ে থাকার প্রায় তিন মাস অতিক্রান্ত হলেও এখন পর্যন্ত সিগন্যাল সাড়াইয়ের কাজে হাত দেয়নি ট্রাফিক দপ্তর। অনেকেই মনে করছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত তেলিয়ামুড়া ট্রাফিক ডি.এস.পি না থাকার কারণে এমন দূর্দশা তেলিয়ামুড়ার ট্রাফিক সিগন্যালটির।
তবে যাই হোক, ট্রাফিক সিগন্যাল না থাকার কারণে যে কোন সময় বড়সড়ো পথ দুর্ঘটনার আশঙ্কায় আতঙ্কিত পথচলতি সাধারণ মানুষ। এ প্রসঙ্গে তেলিয়ামুড়া ট্রাফিক ইউনিটের ইন্সপেক্টর সমীর দেববর্মা বলেন, বিগত কিছুদিন পূর্বে তেলিয়ামুড়া ট্রাফিক ইউনিট থেকে খোয়াই জেলা পুলিশ সুপার, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক, তেলিয়ামুড়া থানার ওসি এবং পৌর পরিষদের’কে লিখিত এবং মৌখিকভাবে জানানোর পরও কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বিকল ট্রাফিক সিগন্যাল সচল করতে। তাছাড়া ট্রাফিক ইউনিট থেকে স্টার ইন্ডিয়া এজেন্সি নামক ওই বেসরকারি সংস্থার সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছিল ট্রাফিক সিগন্যাল সরাইয়ের ব্যাপারে, কিন্তু ওই বেসরকারি সংস্থার দাবি তাদের চুক্তির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাওয়ার কারণে তারা সিগন্যাল সারাই করার কাজে হাত দেবে না। তবে এই সকল কারণ নিয়ে তেলিয়ামুড়াবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ ধুমায়িত হচ্ছে। দাবি উঠছে অতিসত্বর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের।

FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*