আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ০৮ অক্টোবর || শহরকে যানজট মুক্ত রাখতে, বাজার এলাকা সুন্দর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও নির্মল রাখতে রাজ্য সরকার ও আগরতলা পুর নিগম যৌথভাবে খয়েরপুর থেকে আমতলী বাইপাস রাস্তা থেকে নাগিছড়া যাওয়ার পথে ১.২ কিলোমিটার দূরে গড়ে তুলেছে নাগিছড়া ফিশ ট্রানশিপমেন্ট ইয়ার্ড। আগরতলা পুর নিগমের সিদ্ধান্তক্রমে এখন থেকে বটতলা, মহারাজগঞ্জ বাজার সহ প্রতিটি বাজারে বহিঃরাজ্য থেকে যে সকল বড় লড়ি করে মাছ এনে লোডিং আন লোডিং করা হয় তা আর করা যাবে না। বড় গাড়িগুলিকে রাখতে হবে নাগিছড়া ফিশ ট্রানশিপমেন্ট ইয়ার্ডে। সেখান থেকে ছোট গাড়ি করে বাজারে নিয়ে আসতে হবে মাছ।
আগামী ১২ই অক্টোবর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহার হাত ধরে এই ফিশ ট্রানশিপমেন্ট ইয়ার্ডের সূচনা হতে যাচ্ছে। জানা যায়, গত ২০১৭ সাল থেকে শুরু হয়েছিল এর কাজ। মোট খরচ পড়েছে সাড়ে তিন কোটি টাকা। একটি সোসাইটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যেই। এই সোসাইটিতে আগরতলা পুর নিগমের কর্পোরেটর সহ বিভিন্ন আধিকারিকদের রাখা হয়েছে। জানা যায়, নাগিছড়া ফিশ ট্রানশিপমেন্ট ইয়ার্ডে ব্যবস্থা করা হয়েছে থাকার খাওয়ার। ব্যবস্থা রয়েছে বাথরুম স্নানাগারেরও। পাশাপাশি ২০ শয্যা বিশিষ্ট ডরমেটরির ব্যবস্থাও করা হয়েছে লড়ি চালকদের থাকার জন্য। ন্যূনতম ভাড়ার মাধ্যমে থাকতে পারবেন তারা। নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য বসানো হয়েছে সিসিটিভি। পাশাপাশি গেইটেও থাকবে নিরাপত্তা কর্মী।
শনিবার নাগীছড়াস্থিত ফিশ ট্রানশিপমেন্ট ইয়ার্ডে পরিদর্শন করে এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানান আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার। আগরতলা শহরকে যানজট মুক্ত করা এবং শহরের বাজার এলাকা গুলি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও নির্মল রাখতেই এই ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। এই ব্যবস্থার ফলে বাজারে জনগণকে অসুবিধায় পড়তে হবে না। পাশাপাশি বহিঃরাজ্য থেকে মাছ নিয়ে আসা লড়ি চালক সহ সহকারী চালকদেরও থাকা এবং খাওয়ার বন্দোবস্ত করা হয়েছে নাগিছড়ায়। একসঙ্গে ছটি বড় গাড়ি থেকে মাল লোডিং আনলোডিং করা যাবে সেখানে। পাশাপাশি দশটি বড় গাড়িও পার্কিং করে রাখা যাবে। ছোট গাড়ি ২০ থেকে ৩০টি রাখা যাবে সেই জায়গায়। পরবর্তীতে মহারাজগঞ্জ বাজার সহ অন্যান্য বাজারে বহিঃরাজ্য থেকে বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে আসা অন্যান্য গাড়িগুলির ব্যাপারেও এরকম চিন্তা ভাবনা রয়েছে নিগমের বলে জানান মেয়র।
