আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৮ জুন || ১৭ই জুন, ‘যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে বামপন্থী দলগুলোর আহ্বানে সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এই মিছিল থেকে ইজরায়েলের আগ্রাসী মনোভাবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন জায়গায় শ্লোগান তোলা হয়।
তারই অংশ হিসেবে ত্রিপুরা রাজ্যের বিভিন্ন মহকুমায় বামপন্থী দলগুলোর উদ্যোগে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। তবে বিশালগড়ে এই কর্মসূচি চলাকালীন সিপিআই(এম) দলের উপর হামলা চালানো হয়। দুষ্কৃতিকারীরা দলীয় কার্যালয় ও কর্মীদের বাইক ভাঙচুর করে এবং দলীয় পতাকায় আগুন লাগিয়ে দেয়। এই ঘটনার জন্য শাসক দলের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছে সিপিআই(এম)।
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সিপিআই-এর কৈলাশহর বিভাগীয় পরিষদের সম্পাদক সায়েদ আলী বাদশা। একই সঙ্গে, এদিন ইজরায়েলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সিপিআই-এর পক্ষ থেকে কৈলাশহরেও বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। বিক্ষোভ শেষে সাংবাদিক সম্মেলন করেন সিপিআই নেতৃত্ব।
সাংবাদিক সম্মেলন থেকে সায়েদ আলী বাদশা কৈলাশহরে সিপিআই(এম)’র বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনেন। তিনি বলেন, ৭ই জুন দিল্লীতে বামপন্থী দলগুলোর এক যৌথ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সিদ্ধান্ত হয় ১৭ই জুন দেশজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে। এই মর্মে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশিত হয়, যেখানে সিপিআই-এর সাধারণ সম্পাদক ডি. রাজা, সিপিআই(এম)’র সাধারণ সম্পাদক এম. এ. বেবি, আরএসপি, ফরোয়ার্ড ব্লকসহ বামপন্থী দলের অন্যান্য শীর্ষ নেতৃবৃন্দ স্বাক্ষর করেন।
সায়েদ আলী বাদশার অভিযোগ, ঐ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সমস্ত বাম দল একসঙ্গে এই কর্মসূচি পালনের কথা থাকলেও, কৈলাশহরে সিপিআই(এম) একতরফাভাবে কর্মসূচি পালন করে অন্য কোনো দলকে গুরুত্ব দেয়নি। তিনি এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে জানান, বিষয়টি রাজ্য বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান মানিক দে’র কাছে তুলে ধরা হবে।
সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি মানিক দে’র দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, অবিলম্বে যেন তিনি হস্তক্ষেপ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
