আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৪ জুলাই || ফের প্রশ্নের মুখে রাজধানী শহর দিল্লির নারী নিরাপত্তা। দেশের রাজধানী থেকে নিখোঁজ হয়ে গেলেন ত্রিপুরার এক তরুণী। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে সরাসরি হস্তক্ষেপ করলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা।
পুলিশ সূত্রে খবর, ত্রিপুরার দক্ষিণ জেলার সাবরুমের বাসিন্দা স্নেহা দেবনাথ (১৯) গত ৭ই জুলাই ভোরে দিল্লি থেকে নিখোঁজ হয়ে যান। শেষবার তিনি ফোনে পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন ভোর ৫টা ৫৬ মিনিটে। তারপর থেকেই তাঁর মোবাইল ফোন সুইচড অফ অবস্থায় রয়েছে। নিখোঁজ স্নেহা আত্মারাম সনাতন ধর্ম কলেজের ছাত্রী বলে জানা গেছে। তাঁর পরিবার সূত্রে খবর, নিখোঁজ হওয়ার আগে তিনি তাঁর বন্ধু পিটুনিয়ার সঙ্গে সরাই রোহিলা রেলস্টেশনে গিয়েছিলেন।
ঘটনাটি সামনে আসতেই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা শুরু করে ত্রিপুরা সরকার। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা তাঁর এক্স (পূর্বতন টুইটার) হ্যান্ডেলে বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি লেখেন,
“নয়াদিল্লিতে ত্রিপুরার সাবরুমের বাসিন্দা স্নেহা দেবনাথের খবর পেয়েছি। এই বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের নজরে আসার পরেই আমাদের পক্ষ থেকেও তদন্তে সহযোগিতা করা হচ্ছে। আমরা চাইব পুলিশ এই বিষয়ে দ্রুত এবং যথাযথ পদক্ষেপ করুক।”
ঘটনার তদন্তে দিল্লি পুলিশ তৎপরতা দেখালেও এখনও পর্যন্ত তরুণীর কোনও খোঁজ মেলেনি। ঘটনায় উদ্বিগ্ন স্নেহার পরিবার। ত্রিপুরা সরকার দিল্লি প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর জোর দিচ্ছে বলে সূত্রের খবর।
স্নেহা দেবনাথের দ্রুত সন্ধান ও নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের দাবি জানিয়েছে ত্রিপুরার বিভিন্ন সমাজ ও ছাত্র সংগঠনও।
রাজধানীর বুকে এক তরুণীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ফের একবার প্রশ্ন তুলছে, নারী নিরাপত্তা আদৌ কতটা সুনিশ্চিত?
