সুস্থ কিডনি দাতার খোঁজে বিশ্বজিৎ, বাঁচাতে দরকার ২৫-৩০ লক্ষ টাকা, অসহায় বাবা-মায়ের মানবিক আবেদন

নবারুন চক্রবর্তী, সাব্রুম, ০৮ ফেব্রুয়ারী || পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তিটি অসুস্থ। তার দুটি কিডনিই নষ্ট হয়ে গেছে। টাকার অভাবে সাব্রুম মহকুমার সাতচাদঁ নবগ্রাম ওএনজিসি বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দেবনাথ চিকিৎসা করাতে পারছেন না।কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডক্টর মানিক সাহার সরকারের কাছে প্রাণ বাঁচানোর আবেদন ৩১ বছর বয়সী বিশ্বজিতের।
তরুণ বিশ্বজিৎ দেবনাথের বাবা-মায়ের করুণ আর্তি: দয়া করে আমার ছেলের জীবন বাঁচান। আমার ছেলেকে বাঁচতে সাহায্য করুন। ছেলের এই অবস্থায় বিশ্বজিৎ দেবনাথের বাবা সাধন দেবনাথ এবং মা উমা দেবনাথ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
সাধন দেবনাথের পরিবারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বড় ছেলে বিশ্বজিৎ দেবনাথ।কর্মটু যুবক বিশ্বজিৎ দেবনাথের আয়েই পরিবারটি চলত। বাবার বয়স প্রায় ৬০ উর্দ পরিবারের উপার্জন একমাত্র সম্বল বিশ্বজিৎ মাত্র কিছুদিন আগে নতুন দার্পত্য জীবন শুরু করেছে বিশ্বজিৎ সব মিলিয়ে পরিবারটি বিশ্বজিৎ দেবনাথের উপর নির্ভরশীল।
বর্তমানে বিশ্বজিৎ দেবনাথ খুব অসুস্থ। সে কাজ করতে পারছে না। তার দুটি কিডনিই বিকল হয়ে গেছে। সে ডাক্তার দেখাতে চেন্নাই গিয়েছিল। সেখানে ডায়ালাইসিস চলছে।
কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য একজন দাতার প্রয়োজন। অনেক টাকারও প্রয়োজন। অশ্রু ঝরা চোখে বিশ্বজিৎ দেবনাথ বলেন ডাক্তার বলেছে খুব শীঘ্রই কিডনির প্রতিস্থাপন করতে হবে না হলে বাঁচা অসম্ভব হয়ে যাবে। রাজ্য সরকার যদি আমার মতো একটি গরিব পরিবারের দিকে তাকায়, তবেই আবার নতুন জীবন ফিরে পাব। তিনি রাজ্য সরকারের কাছে আর্থিক সাহায্য এবং চিকিৎসার বিষয়ে সাহায্যের দাবি জানিয়েছেন।
উনি বলেন যদি কেউ কিডনি দান করতে চাই তাহলে উনার দেওয়া নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য। 8731957199/8731807206 রক্তের গ্রুপ B+।
বিশ্বজিতের মা বলেন আমরা বাবা-মা হিসেবে শেষ চেষ্টা করছি। আমাদের ছেলেটাকে বাঁচতে চায়। সমাজের বিত্তবান মানুষ, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও প্রশাসনের কাছে একটাই আবেদন—মানবিকতার খাতিরে যদি কেউ একটু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন, তাহলে হয়তো আমাদের ছেলে বাঁচানো সম্ভব হবে।” বর্তমানে বিশ্বজিৎ দেবনাথের জীবন-মৃত্যুর লড়াইয়ে পাশে দাঁড়ানোই পারে মানবিক সমাজের একমাত্র আশার আলো। এখন দেখার, এই অসহায় বিশ্বজিতের আর্তনাদে কতটা সাড়া দেয় সমাজ ও প্রশাসন।

FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*