বলরাম দেবনাথ, সাব্রুম, ২৫ ফেব্রুয়ারী || উচ্চমানের বীজ ও আধুনিক কৃষি পদ্ধতির সমন্বয়ে আলু চাষে রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিয়েছেন সাবরুমের ছোট খিল এলাকার কৃষক মৃণাল দাস। এআরসি প্রকল্পের আওতায় ‘উদয়’ ও উন্নতমানের ‘চন্দ্রমুখি’ জাতের আলু চাষ করে তিনি এ বছর ফলন দ্বিগুণেরও বেশি অর্জন করেছেন।
রাজ্য কৃষি দপ্তরের সহায়তায় উচ্চ ফলনশীল বীজ ব্যবহার করে পরিকল্পিত পদ্ধতিতে চাষাবাদ করেন মৃণাল দাস। সঠিক পরিচর্যা, সময়োপযোগী সার প্রয়োগ এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে আশাতীত ফলন সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি। ইতিমধ্যেই উৎপাদিত আলু বাজারজাত করা শুরু হয়েছে, যা থেকে তিনি অর্থনৈতিকভাবে উল্লেখযোগ্যভাবে লাভবান হয়েছেন।
বটতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের এই সফল কৃষকের চাষে সেচের কোনো সমস্যা হয়নি। পাশ দিয়ে প্রবাহিত ফেনী নদীর জল সেচের চাহিদা পূরণ করেছে। পাশাপাশি জল উত্তোলনের ক্ষেত্রে সোলার পাওয়ার ব্যবহারের ফলে খরচও কমেছে।
উল্লেখ্য, একসময় রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী রতন লাল নাথ মৃণাল দাসের বাড়িতে এসে তাঁর উদ্যোগ ও উদ্যমের প্রশংসা করেন। কৃষি ক্ষেত্রে তাঁর এই সাফল্য এখন এলাকার অন্যান্য কৃষকদের কাছেও অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।
আধুনিক পদ্ধতিতে আলু চাষ যে ফলন ও লাভ—উভয় ক্ষেত্রেই ফলদায়ক হতে পারে, মৃণাল দাস তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
