গোপাল সিং, খোয়াই, ১১ মে || তেলিয়ামুড়া থানাধীন চাকমাঘাট এলাকায় প্রশাসনকে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বুক চিতিয়ে চলছে গরু পাচারের রমরমা বাণিজ্য। অভিযোগ উঠেছে, দিনের আলোয় বোলেরো গাড়ি বোঝাই করে পাচারকারীরা গরু পাচার চালালেও প্রশাসন রহস্যজনকভাবে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। পাচারকারীদের এই দুঃসাহস এখন চাকমাঘাট ও সংলগ্ন এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় নেতাদের সামনে দিয়েই দিনদুপুরে একের পর এক গরু বোঝাই গাড়ি আনাগোনা করছে। প্রশাসনের কোনো ধরনের কড়াকড়ি বা নাকা তল্লাশি না থাকায় পাচারকারীরা এখন নির্ভয়ে এই রুটটি ব্যবহার করছে। পাচার বাণিজ্যে আধুনিক বোলেরো গাড়ির ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় খুব দ্রুত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে গরু পাচার করা সম্ভব হচ্ছে।
এদিকে, এই অবৈধ বাণিজ্যের নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে। জনগণের অভিযোগ, স্থানীয় নেতাদের মাসোহারা দিয়েই এই পাচার বাণিজ্য চলছে। নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে ওই নেতৃত্বরা পাচারকারীদের সুরক্ষা দিচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী। নেতাদের সামনে দিয়ে এই অবৈধ কারবার চললেও স্থানীয় নেতৃত্বদের নীরবতা জনমনে গভীর সন্দেহের দানা বাঁধছে।
প্রশাসনের এই নির্লিপ্ততায় ক্ষুব্ধ এলাকার সাধারণ মানুষ। তাদের দাবি, তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ সব জেনেও না জানার ভান করে রয়েছে। পুলিশের এই নিষ্ক্রিয়তা পাচারকারীদের আরও উৎসাহিত করছে। অবিলম্বে এই পাচার বাণিজ্য বন্ধে কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ না নেওয়া হলে আগামী দিনে ওই এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
