আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৯ অক্টোবর || তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার আগরতলার রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে আয়োজিত হয় ‘শারদ সম্মান’ অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা, আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্জী, দপ্তরের সচিব কিরণ গীতে-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি আমাদের আবেগ, সম্প্রীতি, সৃজনশীলতা এবং জাতি-জনজাতির সমন্বিত কৃষ্টি ও সংস্কৃতির এক অনন্য মিলনমেলা। এই উৎসবের মধ্য দিয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে ঐক্য, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, প্রতিবছরের মতো এ বছরও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ক্লাব ও সামাজিক সংস্থাগুলি তাঁদের অসাধারণ সৃজনশীলতা, সুপরিকল্পনা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে দুর্গোৎসবকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। পাশাপাশি, পঞ্চমবারের মতো ‘মায়ের গমন’ অনুষ্ঠানও এক বিশেষ মাত্রায় উন্নীত হয়েছে। এই সমস্ত উদ্যোগ রাজ্যের শিল্প, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি উৎসবের আনন্দকে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছে।
এদিন বিভিন্ন ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠত্বের স্বাক্ষর রাখা ক্লাব ও সামাজিক সংস্থাগুলির হাতে ‘শারদ সম্মান’ তুলে দিয়ে তাঁদের অভিনন্দন জানান মুখ্যমন্ত্রী। দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে যেসব সংস্থা তাঁদের সৃজনশীলতা, নান্দনিক ভাবনা ও সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে, এই সম্মাননা তাদের কাজের স্বীকৃতি হিসেবেই বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
সামগ্রিকভাবে, শারদ সম্মান অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে রাজ্যের দুর্গোৎসবের সঙ্গে যুক্ত ক্লাব ও সামাজিক সংস্থাগুলির সৃজনশীল প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি ত্রিপুরার ঐতিহ্য, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বার্তা উঠে আসে।
