জাতীয় ডেস্ক ৷৷ পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন কংগ্রেসের অমরিন্দর সিংহ। পঞ্জাব রাজভবনে রাজ্যপাল ভি পি সিংহ বাদনোরে শপথবাক্য পাঠ করালেন তাঁকে। ৯ মন্ত্রীর তৃতীয় হিসেবে শপথ নিয়েছেন নভজ্যোত সিংহ সিধু। উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের সহ সভাপতি রাহুল গাঁধী, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ প্রমুখ। সদ্য বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে আসা সিধু উপ মুখ্যমন্ত্রিত্ব চেয়েছেন। তবে ৩ নম্বরে তাঁর শপথ গ্রহণে সম্ভবত ইঙ্গিত, সেই আশাপূরণ নাও হতে পারে। শোনা যাচ্ছে, প্রকাশ সিংহ বাদলের ভাইপো ও অকালি-বিজেপি আমলে অর্থমন্ত্রী থাকা মনপ্রীত কংগ্রেস জমানাতেও অর্থ দফতর পেতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইট করে অভিনন্দন জানিয়েছেন নয়া মুখ্যমন্ত্রীকে। এ নিয়ে দ্বিতীয়বার পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী হলেন ক্যাপ্টেন অমরিন্দর। ১১৭ সদস্যের বিধানসভায় দলকে ৭৭টি আসন দিয়েছেন বর্ষীয়াণ এই নেতা। মূল তাঁর কাঁধে ভর দিয়ে পঞ্জাব জিতেছে কংগ্রেস। অমরিন্দর জানিয়েছেন, রাজ্যের অর্থনীতিকে সঠিক পথে চালিত করাই তাঁর প্রাথমিক লক্ষ্য। এ জন্য অপ্রচলিত পন্থা নিতেও দ্বিধা করবেন না তিনি। তাঁর অভিযোগ, ১০ বছরের অকালি-বিজেপি শাসনকালে পঞ্জাবের অর্থনীতি চূড়ান্ত ধাক্কা খেয়েছে। জয়ের আনন্দে মাত্রাছাড়া উচ্ছ্বাসেরও বিরুদ্ধে তিনি। রাজ্যবাসী যখন আর্থিক সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, তখন উৎসব ভাল দেখায় না বলে মন্তব্য করেছেন ক্যাপ্টেন।পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন অমরিন্দর সিংহ
জাতীয় ডেস্ক ৷৷ পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন কংগ্রেসের অমরিন্দর সিংহ। পঞ্জাব রাজভবনে রাজ্যপাল ভি পি সিংহ বাদনোরে শপথবাক্য পাঠ করালেন তাঁকে। ৯ মন্ত্রীর তৃতীয় হিসেবে শপথ নিয়েছেন নভজ্যোত সিংহ সিধু। উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের সহ সভাপতি রাহুল গাঁধী, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ প্রমুখ। সদ্য বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে আসা সিধু উপ মুখ্যমন্ত্রিত্ব চেয়েছেন। তবে ৩ নম্বরে তাঁর শপথ গ্রহণে সম্ভবত ইঙ্গিত, সেই আশাপূরণ নাও হতে পারে। শোনা যাচ্ছে, প্রকাশ সিংহ বাদলের ভাইপো ও অকালি-বিজেপি আমলে অর্থমন্ত্রী থাকা মনপ্রীত কংগ্রেস জমানাতেও অর্থ দফতর পেতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইট করে অভিনন্দন জানিয়েছেন নয়া মুখ্যমন্ত্রীকে। এ নিয়ে দ্বিতীয়বার পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী হলেন ক্যাপ্টেন অমরিন্দর। ১১৭ সদস্যের বিধানসভায় দলকে ৭৭টি আসন দিয়েছেন বর্ষীয়াণ এই নেতা। মূল তাঁর কাঁধে ভর দিয়ে পঞ্জাব জিতেছে কংগ্রেস। অমরিন্দর জানিয়েছেন, রাজ্যের অর্থনীতিকে সঠিক পথে চালিত করাই তাঁর প্রাথমিক লক্ষ্য। এ জন্য অপ্রচলিত পন্থা নিতেও দ্বিধা করবেন না তিনি। তাঁর অভিযোগ, ১০ বছরের অকালি-বিজেপি শাসনকালে পঞ্জাবের অর্থনীতি চূড়ান্ত ধাক্কা খেয়েছে। জয়ের আনন্দে মাত্রাছাড়া উচ্ছ্বাসেরও বিরুদ্ধে তিনি। রাজ্যবাসী যখন আর্থিক সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, তখন উৎসব ভাল দেখায় না বলে মন্তব্য করেছেন ক্যাপ্টেন।