বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১০ অক্টোবর ৷৷ সরকারী সাহায্য থেকে বঞ্চিত পশ্চিম জোলাই বাড়ীর কোমর পাড়ার মৃৎ শিল্পীরা। শান্তির বাজার মহকুমার অন্তর্গত জোলাইবাড়ী কোমর পাড়ার বেশির ভাগ লোকজন মৃৎশিল্পীর কাজ করে জীবন জাপন করেন। এই গ্রামে প্রায় ৬৫ পরিবারের মত লোকজন বসবাস করে। এর মধ্যে প্রায় ৩০ পরিবারের মত মৃৎশিল্পের কাজে যুক্তছিল। কিন্তু সরকারী উদাসিনতার কারনে অনেকে এই কাজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। এখন প্রায় ১০ পরিবারের মত লোকজন এই কাজ ধরে রেখেছে। এই কাজ করে তাদের সংসার চলে। মাটি থেকে শুরু করে সমস্ত প্রকার জিনিষ তাদেরকে কিনে আনতে হয়। কিন্তু বাজারজাত করলে তেমন একটা দাম পায়না। এর মধ্যে সরকারী কোনো প্রকার সাহায্য পাচ্ছেনা। সরকার থেকে একবার নাকি বলা হয়েছিল তাদেরকে ভাতা দেবে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এই মৃৎশিল্পীদের বাধ্য হয়ে সংসার চালানোর জন্য কষ্ট করে এই কাজ ধরে রেখেছে। তাদের দাবি সরকার যদি তাদেরকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিত তাহলে তারা সুষ্ঠভাবে জীবন জাপন করতে পারত বলে মৃৎশিল্পীরা জানায়।সরকারী সাহায্যের দিকে তাকিয়ে জোলাই বাড়ীর মৃৎ শিল্পীরা
বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১০ অক্টোবর ৷৷ সরকারী সাহায্য থেকে বঞ্চিত পশ্চিম জোলাই বাড়ীর কোমর পাড়ার মৃৎ শিল্পীরা। শান্তির বাজার মহকুমার অন্তর্গত জোলাইবাড়ী কোমর পাড়ার বেশির ভাগ লোকজন মৃৎশিল্পীর কাজ করে জীবন জাপন করেন। এই গ্রামে প্রায় ৬৫ পরিবারের মত লোকজন বসবাস করে। এর মধ্যে প্রায় ৩০ পরিবারের মত মৃৎশিল্পের কাজে যুক্তছিল। কিন্তু সরকারী উদাসিনতার কারনে অনেকে এই কাজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। এখন প্রায় ১০ পরিবারের মত লোকজন এই কাজ ধরে রেখেছে। এই কাজ করে তাদের সংসার চলে। মাটি থেকে শুরু করে সমস্ত প্রকার জিনিষ তাদেরকে কিনে আনতে হয়। কিন্তু বাজারজাত করলে তেমন একটা দাম পায়না। এর মধ্যে সরকারী কোনো প্রকার সাহায্য পাচ্ছেনা। সরকার থেকে একবার নাকি বলা হয়েছিল তাদেরকে ভাতা দেবে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এই মৃৎশিল্পীদের বাধ্য হয়ে সংসার চালানোর জন্য কষ্ট করে এই কাজ ধরে রেখেছে। তাদের দাবি সরকার যদি তাদেরকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিত তাহলে তারা সুষ্ঠভাবে জীবন জাপন করতে পারত বলে মৃৎশিল্পীরা জানায়।