আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ০৯ অক্টোবর ৷৷ এবার রাজ্যের নতুন আতঙ্ক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে ইন্টারনেটভিত্তিক মরণঘাতি গেমস ‘ব্লু হোয়েল’। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ইতিমধ্যে ভারতে ১৩০ জন ব্লু হোয়েলের শিকার হয়ে আত্মহত্যা করেছে। এর মধ্যে পশ্চিবঙ্গেই মারা গেছে অন্তত ২০ জন। এর আগে সোশ্যাল মিডিয়া নির্ভর এই গেমের বলি হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অসংখ্য মেধাবী তরুণ-তরুণী। গত দু’মাস ধরে ভারতজুড়ে চলছে ব্লু হোয়েল আতঙ্ক। ৫০ ধাপের এই খেলায় শুরুর টাস্কগুলির ৩১ ধাপে গিয়ে তাকে নিজের ওপর আঘাতের বিভিন্ন প্রক্রিয়া শুরু হয়। এটা মাদকাসক্তের চেয়ে ভয়ঙ্কর। ভয়ঙ্কর এই গেমের সফটওয়্যার লিঙ্ক ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ বা ইনস্টাগ্রামের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে।রাজ্যে সর্বশেষ ‘নীল তিমি’ বা ‘ব্লু হোয়েল’ গেমের শিকার হয়েছে বিলোনীয়া মহকুমার সাড়াসীমা গ্রাম পঞ্চায়েতের সন্তোষ দেবনাথ (২৬) নামে এক যুবক। যদিও অল্পের জন্য মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পায় সন্তোষ। জানা যায়, গত ৫ অক্টোবর ছুরি দিয়ে সন্তোষ তাঁর পেটের বা অংশ কেটে ফেলেন। পরিবারের সদস্য তাকে বিলোনীয়া হাসপাতালে নিয়ে কাঁটা অংশ সেলাই করিয়ে আনলে ৭ অক্টোবর ফের কাঁচের বাটি ভেঙ্গে হাত কেটে পুকুরের জলে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করতে চায় সন্তোষ। জানা যায়, সন্তোষ নাকি পরিবারের সদস্যদের জানায় ওর নিজের শরীরে আঘাত করে রক্ত বের করতে ভালো লাগে। এই কথা শুনে সন্দেহ হওয়ায় সন্তোষকে জিজ্ঞেসা করা হলে জানায়, ‘ব্লু হোয়েল’ বাংলা ভার্সনের ৫০টি পর্ব খেলেছে সে। এই খবর পেয়ে সন্তোষের বাড়িতে ছুটে যায় বিলোনীয়া মহকুমার ডেপুটি কালেক্টর ফিরোজ মিঞা, এস ডি পি ও রতন কুমার দাস সহ এলাকার লোকজন। বর্তমানে বিলোনীয়া হাসপাতালে সন্তোষ দেবনাথের চিকিৎসা চলছে।
এদিকে ‘ব্লু হোয়েল’ বাংলা ভার্সনের কথা শুনে আতঙ্কে রাজ্যবাসী।
