গোপাল সিং, খোয়াই, ২৯ মার্চ ৷৷ সব থেকে জরুরী প্রয়োজন রক্তের। আজ প্রায় ১০ দিন যাবত খোয়াই জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্ত নেই। রোগীদের রক্তের জন্য ছুটোছুটি করতে হচ্ছে। অথচ খোয়াই জেলা হাসপাতালের অধীনে দেড় লক্ষাধিক লোক চিকিৎসা পরিসেবার সাথে জড়িত। এই মতাবস্থায় এগিয়ে এল ত্রিপুরা কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট এসোসিয়েশন, খোয়াই শাখা। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হল স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির। উক্ত রক্তদান শিবিরের উদ্বোধন করেন জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক ড. পি.কে. মজুমদার। শিবিরে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহকুমা স্বাস্থ্য আধিকারিক ড. ধনঞ্জয় রিয়াং এবং ত্রিপুরা কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট এসোসিয়েশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন তাপস রায় ও মিহির পালচৌধূরী সহ অন্যান্যরা। শিবিরে আলোচনা করতে গিয়ে বক্তারা রক্তদানের গুরুত্ব তুলে ধরেন। বললেন, রক্ত মজুত থাকতে হয়। রক্তের কোন গাছ হয় না। রক্ত মানুষকে দান করতে হয়। তাই সবাইকে রক্তদানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। গোটা রাজ্যেই রক্তের জোগান কম। প্রয়োজন বেশি। তাই রাজ্যবাসীকে রক্তদানে এগিয়ে আসতে হবে। বর্তমানে রাজ্যের রক্ত সংকট থেকে জনগনকে বাচানোর জন্য রক্তদানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান উপস্থিত অতিথিরা। ত্রিপুরা কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট, খোয়াই শাখার কর্মীদের আজকের রক্তদান শিবির নিয়ে বেশ উৎসাহী দেখায়। উনারা জানান এই ধরনের কর্মসূচী অব্যহত থাকবে। এদিনকার রক্তদান শিবিরে মোট ৫০ জন রক্তদাতা স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, খোয়াই জেলা হাসপাতালের পরিষেবা বর্তমানে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। আজ প্রায় ১৫ দিন যাবত ইসিজি মেশিন বিকল হয়ে আছে। বাধ্য হয়ে রোগীদের চড়া দামে প্রাইভেট করাতে হচ্ছে। শিশু বিশেষজ্ঞ’র অভাব রয়েছে। দুজন শিশু চিকিৎসক রয়েছেন। এর মধ্যে একজনকে কমলপুর পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং অপরজন পারিবারিক কারনে সময় দিতে পারেন না। সব মিলিয়ে জনগণ দিশেহারা।স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে এল কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট এসো
গোপাল সিং, খোয়াই, ২৯ মার্চ ৷৷ সব থেকে জরুরী প্রয়োজন রক্তের। আজ প্রায় ১০ দিন যাবত খোয়াই জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্ত নেই। রোগীদের রক্তের জন্য ছুটোছুটি করতে হচ্ছে। অথচ খোয়াই জেলা হাসপাতালের অধীনে দেড় লক্ষাধিক লোক চিকিৎসা পরিসেবার সাথে জড়িত। এই মতাবস্থায় এগিয়ে এল ত্রিপুরা কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট এসোসিয়েশন, খোয়াই শাখা। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হল স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির। উক্ত রক্তদান শিবিরের উদ্বোধন করেন জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক ড. পি.কে. মজুমদার। শিবিরে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহকুমা স্বাস্থ্য আধিকারিক ড. ধনঞ্জয় রিয়াং এবং ত্রিপুরা কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট এসোসিয়েশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন তাপস রায় ও মিহির পালচৌধূরী সহ অন্যান্যরা। শিবিরে আলোচনা করতে গিয়ে বক্তারা রক্তদানের গুরুত্ব তুলে ধরেন। বললেন, রক্ত মজুত থাকতে হয়। রক্তের কোন গাছ হয় না। রক্ত মানুষকে দান করতে হয়। তাই সবাইকে রক্তদানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। গোটা রাজ্যেই রক্তের জোগান কম। প্রয়োজন বেশি। তাই রাজ্যবাসীকে রক্তদানে এগিয়ে আসতে হবে। বর্তমানে রাজ্যের রক্ত সংকট থেকে জনগনকে বাচানোর জন্য রক্তদানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান উপস্থিত অতিথিরা। ত্রিপুরা কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট, খোয়াই শাখার কর্মীদের আজকের রক্তদান শিবির নিয়ে বেশ উৎসাহী দেখায়। উনারা জানান এই ধরনের কর্মসূচী অব্যহত থাকবে। এদিনকার রক্তদান শিবিরে মোট ৫০ জন রক্তদাতা স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, খোয়াই জেলা হাসপাতালের পরিষেবা বর্তমানে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। আজ প্রায় ১৫ দিন যাবত ইসিজি মেশিন বিকল হয়ে আছে। বাধ্য হয়ে রোগীদের চড়া দামে প্রাইভেট করাতে হচ্ছে। শিশু বিশেষজ্ঞ’র অভাব রয়েছে। দুজন শিশু চিকিৎসক রয়েছেন। এর মধ্যে একজনকে কমলপুর পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং অপরজন পারিবারিক কারনে সময় দিতে পারেন না। সব মিলিয়ে জনগণ দিশেহারা।