গোপাল সিং, খোয়াই, ১৬ এপ্রিল ৷৷ খোয়াই চেরমা গ্রামে ৯ কানি পুকুর থেকে ৩০০ কেজি মাছ চুরি। ক্ষোভে সোমবার সকালে খোয়াই-কমলপুর সড়ক অবরোধ করল ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী ও বিজেপি কর্মীরা। অবরোধের মুখে পড়লেন খাদ্য ও ক্রীড়া মন্ত্রী মনোজ কান্তি দেব। ঘটনাস্থলে ছুটে যায় খোয়াই থানার পুলিশ। যদিও মন্ত্রীর পরামর্শে গ্রামবাসীর তরফে পরবর্তী সময় অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। এদিকে ঘটনার বিবরনে জানা যায়, খোয়াই থানা এলাকার চেরমা গ্রামের বাসিন্দা নিকুঞ্জ দাসের একটি ৯ কানি পুকুর রয়েছে। গত শনিবার বিকেলে কে বা কারা সেই পুকুর থেকে ৩০০ কেজি মাছ ধরে নিয়ে যায়। ঘটনার পর বিভিন্ন স্থানে ছুটে গিয়ে সুবিচার না পেয়ে নিকুঞ্জ দাস সহ চেরমা গ্রামের বাসিন্দারা সোমবার সকালে খোয়াই-কমলপুর সড়ক অবরোধ করে বসে। এই অবরোধের মুখে পড়েন রাজ্যের খাদ্য ও ক্রীড়া মন্ত্রী মনোজ কান্তি দেব। ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসে খোয়াই থানার পুলিশ। শেষে মন্ত্রীর পরামর্শে গ্রামবাসীরা পথ অবরোধ তুলে নেয়। যদিও পুলিশকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী মনোজ কান্তি দেব। এদিকে ক্ষতিগ্রস্থ মাছ চাষী নিকুঞ্জ দাস মিডিয়াকে জানান, ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকায় ৩ বছরের জন্য এই পুকুরটি লিজে নিয়েছিলেন তিনি। পরবর্তী সময় লিজে যুক্ত হন নিকুঞ্জ বাবু সহ পল্লীমঙ্গল মৎস্য সমিতির আরও ১৭ জন। সমিতির কোন পুকুর নেই। তাই সমিতির ১৭ জন সদস্যকে নিকুঞ্জ বাবু এই লিজে যুক্ত করেন। শনিবার সমিতির লোকরা মাছ ধরেন এই পুকুর থেকে। কিন্তু এরপরই কিছু অপরিচিত লোক এসে এই পুকুর থেকে ৩০০ কেজি মাছ ধরে নিয়ে যায়। ৭০ টাকা কেজি দরে এই পুকুরের মাছ বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করা হয়। যার মধ্যে দু থেকে আড়াই কেজি ওজনের কাতল, ৬শ-৭শ ওজনের রুইও রয়েছে। কিন্তু গোটা ঘটনা জানিয়ে বিভিন্ন স্থানে সুবিচার চাইলেও নিকুঞ্জ বাবু কোন সুরহা পাননি। তাই সোমবার সকালে স্থানীয় গ্রামবাসী এবং বিজেপি কর্মীরা উপযুক্ত বিচারের আশায় পথ অবরোধে শামিল হন।পুকুর থেকে ৩০০ কেজি মাছ চুরি, ক্ষোভে সড়ক অবরোধ
গোপাল সিং, খোয়াই, ১৬ এপ্রিল ৷৷ খোয়াই চেরমা গ্রামে ৯ কানি পুকুর থেকে ৩০০ কেজি মাছ চুরি। ক্ষোভে সোমবার সকালে খোয়াই-কমলপুর সড়ক অবরোধ করল ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী ও বিজেপি কর্মীরা। অবরোধের মুখে পড়লেন খাদ্য ও ক্রীড়া মন্ত্রী মনোজ কান্তি দেব। ঘটনাস্থলে ছুটে যায় খোয়াই থানার পুলিশ। যদিও মন্ত্রীর পরামর্শে গ্রামবাসীর তরফে পরবর্তী সময় অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। এদিকে ঘটনার বিবরনে জানা যায়, খোয়াই থানা এলাকার চেরমা গ্রামের বাসিন্দা নিকুঞ্জ দাসের একটি ৯ কানি পুকুর রয়েছে। গত শনিবার বিকেলে কে বা কারা সেই পুকুর থেকে ৩০০ কেজি মাছ ধরে নিয়ে যায়। ঘটনার পর বিভিন্ন স্থানে ছুটে গিয়ে সুবিচার না পেয়ে নিকুঞ্জ দাস সহ চেরমা গ্রামের বাসিন্দারা সোমবার সকালে খোয়াই-কমলপুর সড়ক অবরোধ করে বসে। এই অবরোধের মুখে পড়েন রাজ্যের খাদ্য ও ক্রীড়া মন্ত্রী মনোজ কান্তি দেব। ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসে খোয়াই থানার পুলিশ। শেষে মন্ত্রীর পরামর্শে গ্রামবাসীরা পথ অবরোধ তুলে নেয়। যদিও পুলিশকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী মনোজ কান্তি দেব। এদিকে ক্ষতিগ্রস্থ মাছ চাষী নিকুঞ্জ দাস মিডিয়াকে জানান, ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকায় ৩ বছরের জন্য এই পুকুরটি লিজে নিয়েছিলেন তিনি। পরবর্তী সময় লিজে যুক্ত হন নিকুঞ্জ বাবু সহ পল্লীমঙ্গল মৎস্য সমিতির আরও ১৭ জন। সমিতির কোন পুকুর নেই। তাই সমিতির ১৭ জন সদস্যকে নিকুঞ্জ বাবু এই লিজে যুক্ত করেন। শনিবার সমিতির লোকরা মাছ ধরেন এই পুকুর থেকে। কিন্তু এরপরই কিছু অপরিচিত লোক এসে এই পুকুর থেকে ৩০০ কেজি মাছ ধরে নিয়ে যায়। ৭০ টাকা কেজি দরে এই পুকুরের মাছ বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করা হয়। যার মধ্যে দু থেকে আড়াই কেজি ওজনের কাতল, ৬শ-৭শ ওজনের রুইও রয়েছে। কিন্তু গোটা ঘটনা জানিয়ে বিভিন্ন স্থানে সুবিচার চাইলেও নিকুঞ্জ বাবু কোন সুরহা পাননি। তাই সোমবার সকালে স্থানীয় গ্রামবাসী এবং বিজেপি কর্মীরা উপযুক্ত বিচারের আশায় পথ অবরোধে শামিল হন।