বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ০৫ এপ্রিল ৷৷ নির্বাচনী সন্ত্রাসের বাতাবরন সৃষ্টি হয়েছে শান্তির বাজার মহকুমার বিভিন্ন জায়গায়। ঘটনার বিবরনে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৮টায় শান্তির বাজার মহকুমার অন্তর্গত তাকমাছরা শরন দেবর্বমা পাড়ায় কিছু সংখ্যক দুস্কৃতিকারী বিজেপি সমর্থীত কর্মীদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। অভিযোগের তীর সি পি আই (এম) সমর্থীত কর্মীদের উপর। জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে বিজেপি কর্মীরা নির্বাচনী উঠানসভা সেরে কর্মদের বাড়ীতে নামিয়ে দিতে গিয়ে দুর্ঘটনার স্বীকার হয়। সি পি আই (এম) সমর্থীত কর্মীদ্বারা আক্রমনের স্বীকার হয়ে দুই জন কর্মী গুরুতর আহত হয় এবং তিন জন কর্মী নিখোজ বলে জানা যায়। এই আক্রমনে রঞ্জীত দেবর্বমা (৩৭) ও রতন সাহা (৩৬) গুরুতর আহত হন। আহত ব্যাক্তিরা বর্তমানে শান্তির বাজার জেলা হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় আছে। অন্যদিকে দুর্ঘটনার পরবর্তী সময় জিতেন নোয়াতিয়া (৩৫), অনন্ত দেবর্বমা (৪৯), মনোহরি দেবর্বমা (৪৮) নামে তিনজন ব্যাক্তি নিখোজ বলে জানা যায়। অপরদিকে নির্বাচনী সন্ত্রাস কায়েম রাখতে একই দিনে রাত আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিট নাগাদ মনপাথর বাজারে নকুল দেবনাথের বই দোকানে ও বিষ্ণুপদ ভৌমিকের স্টেষনারী দোকানে অগ্নিকান্ড সংযোগ করে দুষ্কৃতিকারী লোকজনেরা। দুই দোকানদার বিজেপি সমর্থীত কর্মী বলে জানা যায়। দুর্ঘটনার পর আহতদের দেখার জন্য জেলা হাসপাতালে ছুটে যান ৩৬-শান্তির বাজারের বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং, শান্তির বাজার পৌর পরিষদের ভাইস চেরায়ম্যান সত্যব্রত সাহা প্রমুখ। অগ্নি কান্ডের খবর শুনে পুনরায় মনপাথর বাজারে ছুটে যান বিধায়ক, ভাইস চেয়ারম্যান ও অন্যান্য নেতৃত্ব বৃন্দ। দুর্ঘটনাস্থ স্থান পরিদর্শনের পর সংবাদ মাধ্যমের সামনে সম্পূর্ন ঘটনার কিছু তথ্য তুলে ধরেন শান্তির পৌর পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সত্যব্রত সাহা। তিনি জানান, টি টি এ এ ডি সি’র ক্রিড়া ও যুব কল্যান দপ্তরের মন্ত্রী পরিক্ষিত মুড়াসিং-র নেতৃত্বে পরিকল্পনা মাফিক এই সংঘর্ষের কাজ শুরু করা হয়। তিনি জানান, পূর্বে পরিক্ষিত মুড়াসিং-র নেতৃত্বে বিজেপি কর্মীর উপর আক্রমন ও বিজেপি পার্টি অফিস ভাংচুর করা হয়। এই ব্যাপারে শান্তির বাজার থানায় লিখিত অভিযোগ জানালেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এই নিয়ে সত্যব্রত সাহা শান্তির বাজারের এস ডি পি ও নির্দেশ দেবের কার্যকলাপে এক রাশ ক্ষোভ উবরে দেন। উনার অভিমত নির্দেশ বাবু সবকিছু জেনেও ঠুটু জগন্নাথের ভূমিকা পালন করছেন। অপরদিকে এই অগ্নি কান্ডে দুই দোকানে আনুমানিক ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে জানা যায়। অগ্নি কান্ড সম্পর্কে এলাকাবাসি জানান, ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হলেও ফায়ার সার্ভিস সঠিক সময়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছায় নি। অগ্নিকান্ডের দীর্ঘ ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট অতিক্রান্ত হবার পর দমকল বাহিনীর লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছেছে বলে জানা যায়। এলাকাবাসির অভিমত, ফায়ার সার্ভিস যদি সঠিক সময়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হতো তাহলে আগুন কিছুটা নিয়ত্রনে আনা যেতো। একই দিনে পর পর দুই ঘটনার তিব্র নিন্দা জানান বিজেপি সমর্থিত কর্মীরা। উনারা ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তের দাবি তুলছেন।নির্বাচনী সন্ত্রাস রাজ্যে, বিজেপি কর্মীর উপর হামলা, পুড়লো দোকান
বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ০৫ এপ্রিল ৷৷ নির্বাচনী সন্ত্রাসের বাতাবরন সৃষ্টি হয়েছে শান্তির বাজার মহকুমার বিভিন্ন জায়গায়। ঘটনার বিবরনে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৮টায় শান্তির বাজার মহকুমার অন্তর্গত তাকমাছরা শরন দেবর্বমা পাড়ায় কিছু সংখ্যক দুস্কৃতিকারী বিজেপি সমর্থীত কর্মীদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। অভিযোগের তীর সি পি আই (এম) সমর্থীত কর্মীদের উপর। জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে বিজেপি কর্মীরা নির্বাচনী উঠানসভা সেরে কর্মদের বাড়ীতে নামিয়ে দিতে গিয়ে দুর্ঘটনার স্বীকার হয়। সি পি আই (এম) সমর্থীত কর্মীদ্বারা আক্রমনের স্বীকার হয়ে দুই জন কর্মী গুরুতর আহত হয় এবং তিন জন কর্মী নিখোজ বলে জানা যায়। এই আক্রমনে রঞ্জীত দেবর্বমা (৩৭) ও রতন সাহা (৩৬) গুরুতর আহত হন। আহত ব্যাক্তিরা বর্তমানে শান্তির বাজার জেলা হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় আছে। অন্যদিকে দুর্ঘটনার পরবর্তী সময় জিতেন নোয়াতিয়া (৩৫), অনন্ত দেবর্বমা (৪৯), মনোহরি দেবর্বমা (৪৮) নামে তিনজন ব্যাক্তি নিখোজ বলে জানা যায়। অপরদিকে নির্বাচনী সন্ত্রাস কায়েম রাখতে একই দিনে রাত আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিট নাগাদ মনপাথর বাজারে নকুল দেবনাথের বই দোকানে ও বিষ্ণুপদ ভৌমিকের স্টেষনারী দোকানে অগ্নিকান্ড সংযোগ করে দুষ্কৃতিকারী লোকজনেরা। দুই দোকানদার বিজেপি সমর্থীত কর্মী বলে জানা যায়। দুর্ঘটনার পর আহতদের দেখার জন্য জেলা হাসপাতালে ছুটে যান ৩৬-শান্তির বাজারের বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং, শান্তির বাজার পৌর পরিষদের ভাইস চেরায়ম্যান সত্যব্রত সাহা প্রমুখ। অগ্নি কান্ডের খবর শুনে পুনরায় মনপাথর বাজারে ছুটে যান বিধায়ক, ভাইস চেয়ারম্যান ও অন্যান্য নেতৃত্ব বৃন্দ। দুর্ঘটনাস্থ স্থান পরিদর্শনের পর সংবাদ মাধ্যমের সামনে সম্পূর্ন ঘটনার কিছু তথ্য তুলে ধরেন শান্তির পৌর পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সত্যব্রত সাহা। তিনি জানান, টি টি এ এ ডি সি’র ক্রিড়া ও যুব কল্যান দপ্তরের মন্ত্রী পরিক্ষিত মুড়াসিং-র নেতৃত্বে পরিকল্পনা মাফিক এই সংঘর্ষের কাজ শুরু করা হয়। তিনি জানান, পূর্বে পরিক্ষিত মুড়াসিং-র নেতৃত্বে বিজেপি কর্মীর উপর আক্রমন ও বিজেপি পার্টি অফিস ভাংচুর করা হয়। এই ব্যাপারে শান্তির বাজার থানায় লিখিত অভিযোগ জানালেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এই নিয়ে সত্যব্রত সাহা শান্তির বাজারের এস ডি পি ও নির্দেশ দেবের কার্যকলাপে এক রাশ ক্ষোভ উবরে দেন। উনার অভিমত নির্দেশ বাবু সবকিছু জেনেও ঠুটু জগন্নাথের ভূমিকা পালন করছেন। অপরদিকে এই অগ্নি কান্ডে দুই দোকানে আনুমানিক ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে জানা যায়। অগ্নি কান্ড সম্পর্কে এলাকাবাসি জানান, ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হলেও ফায়ার সার্ভিস সঠিক সময়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছায় নি। অগ্নিকান্ডের দীর্ঘ ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট অতিক্রান্ত হবার পর দমকল বাহিনীর লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছেছে বলে জানা যায়। এলাকাবাসির অভিমত, ফায়ার সার্ভিস যদি সঠিক সময়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হতো তাহলে আগুন কিছুটা নিয়ত্রনে আনা যেতো। একই দিনে পর পর দুই ঘটনার তিব্র নিন্দা জানান বিজেপি সমর্থিত কর্মীরা। উনারা ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তের দাবি তুলছেন।