আপডেট প্রতিনিধি, বক্সনগর, ১৫ নভেম্বর || গোটা রাজ্য জুড়ে নারী নির্যাতন এবং নাবালিকা ধর্ষণ, শ্রীলতাহানির মতো ঘটনা আজ নিত্যদিনের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু সুস্থ নাবালিকা নয় তার পাশাপাশি দিব্যাঙ্গ অসহায় দরিদ্র পরিবারও। যারা রাস্তায় দিন কাটায় তাদেরকেও ছাড়ছেনা পাষণ্ড, বর্বর চরিত্র যুবকরা। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, কলমচৌড়া থানাধীন বক্সনগর বেলুয়ারচর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৫নং ওয়ার্ডের এক দিব্যাঙ্গ নাবালিকা মেয়েকে শ্রীলতাহানি করার অভিযোগ উঠেছে ৩০ বছরের যুবকের বিরুদ্ধে।জানা গেছে গত ১২ই ডিসেম্বর শনিবার সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ ১৬ বছরের এক দিব্যাঙ্গ নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে বেলুয়ারচর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৫নং ওয়ার্ডের সুমন দাস নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঐদিন সুমন দাসের বাড়িতে তারই আপন জেঠাতো ভাইয়ের বিয়ের বৌভাতে গিয়েছিল দিব্যাঙ্গ এক নাবালিকা। নাবালিকা মেয়েটি তাদের বিয়ে বাড়িতে খাওয়া দাওয়া শেষ করার পর সুমন দাস দিব্যাঙ্গ মেয়েটিকে হাত ধুয়ে দেওয়ার কথা বলে বাড়ির পিছনে অন্ধকারে নিয়ে গিয়ে তার শরীরে হাত দেয়। পরবর্তী সময়ে এই বর্বর যুবক মেয়েটির পরনের কাপড় খোলার চেষ্টা করে। ধর্ষণ করারও চেষ্টা করে। দিব্যাঙ্গ নাবালিকা মেয়েটি চিৎকার করলে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসে। আর তখনই পাষণ্ড যুবক নাবালিকা মেয়েটিকে ছেড়ে দেয়। পরবর্তী সময়ে মেয়েটি কাঁদতে কাঁদতে তার মাকে গিয়ে সব কথা খুলে বলে। এই ঘটনার খবর তার পিতা-মাতা জানতে পেরে শনিবার সন্ধ্যা ৮টায় কলমচৌড়া থানায় বিষয়টি সম্পর্কে মৌখিকভাবে জানান। পুলিশ এই ঘটনার খবর পেয়ে ওই দিনই তাদের বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে তদন্ত করে আসে। আসামি পলাতক, পুলিশ এখনও আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এদিকে এই নক্কারজনক ঘটনাটিকে ধামাচাপা দিতে তৎপর এলাকার প্রধান অনিল দাস ভলে অভিযোগ। প্রধান নিজেই পুলিশকে এই ঘটনাটি তদন্ত বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেন। মঙ্গলবার এই নক্কারজনক ঘটনাটির সালিশি সভা করে মীমাংসা করার পরামর্শ দেন। অসহায় দরিদ্র শ্রীলতাহানি পরিবারটি ওই প্রধানের কথায় রাজি হয়ে যায়।
