সাগর দেব, তেলিয়ামুড়া, ১৩ আগষ্ট || তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশকে শীত ঘুমে রেখে মুঙ্গিয়াকামী থানার পুলিশের হাতে উদ্ধার বিপুল পরিমাণে শুকনো গাঁজা। শুক্রবার সাতসকালে ভ্যাহিকেল চেকিং-এ বসে ৩৭-মাইল এলাকায় সন্দেহবশত একটি দূরপাল্লার লরিকে আটক করে উদ্ধার হলো বিপুল পরিমাণে শুকনো গাঁজা।
সংবাদে প্রকাশ, তেলিয়ামুড়া মহাকুমার মুঙ্গিয়াকামী থানাধীন ৩৭-মাইল এলাকায় তেলিয়ামুড়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সোনা চরণ জমাতিয়া, বিএসএফ ৭১নং ব্যাটেলিয়ানের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ডেন্ট বীরেন্দ্র কুমার, মুঙ্গিয়াকামী থানার ওসি ধ্রুবজয় রিয়াং-এর নেতৃত্বে শুক্রবার সাতসকালে আসাম আগরতলা জাতীয় সড়কের ৩৭-মাইল এলাকায় ভ্যাহিকাল চেকিং এ বসে। এমন সময় সন্দেহবশত WB43 3157 নম্বরের দূরপাল্লার ১২ চাকার একটি লরিতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় মোট ৩১ প্যাকেটে ৩১০ কেজি শুকনো গাঁজা। সেই সাথে আটক করা হয় গাড়ির চালক আনসার কাজী এবং সহ চালক বঙ্কিম মাঝি’কে। জানা যায় দুজনের বাড়িই পশ্চিমবঙ্গে। তাদের তল্লাশি চালিয়ে নগদ অর্থ চল্লিশ হাজার টাকা সহ দুইটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে পুলিশ।
এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তেলিয়ামুড়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সোনা চরণ জমাতিয়া জানান, তাদের প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গেছে তারা এই গাঁজা গুলো তেলিয়ামুড়া থানাধীন ত্রিশাবাড়িস্থিত রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকার কোন একটি জায়গা থেকে মাল গুলো লোডিং করে বহিঃরাজ্যের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল।
এখন প্রশ্ন হলো, তেলিয়ামুড়া ত্রিশাবাড়ি রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে যদি গাঁজা গুলো লোডিং করা হয় তবে তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ এই গাঁজা গুলো পাকড়াও করতে পারেনি কেন? তবে কি তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ বাবুদের এক প্রকার মাসোয়ারা দিয়ে ম্যানেজ করে গাঁজা গুলো পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল? এমন প্রশ্নই এখন উঁকি ঝুঁকি মারছে তেলিয়ামুড়ার শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মহলে।
