বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ৩০ নভেম্বর || ২০০৯ সালের ১৮ই জুন শান্তির বাজার নগর পঞ্চায়েত হিসাবে ঘোষনা হয়েছিলো। পরবর্তী সময় ২০১৫ সালের ৩রা জুলাই শান্তির বাজারকে পুর পরিষদ হিসাবে ঘোষনা করা হয়েছে। বিগতদিনে শান্তির বাজার সুগারমিল এলাকায় পুরপরিষদ অফিস ছিলো। বর্তমানে শান্তির বাজার পোষ্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায় ২ কোটি ৫২ লক্ষ টাকা টেন্ডারের মাধ্যমে নতুন ভবনের নির্মান করা হয়েছে। শান্তির বাজার পুরপরিষদ এলাকায় ১৫ হাজার ২৮৫ জন সদস্য সংখ্যা রয়েছে। যার মধ্যে পরিবার সংখ্যা ৩৪৬৪। শান্তির বাজার পুর এলাকায় ৫ম ডিপিআর এর মাধ্যমে ২২৭৭ জন বেনিফিসারীকে ঘর দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে ১৭০৮টি ঘরের কাজ শুরু হয়েছে এবং ১৩১২টি ঘরের কাজ সমাপ্তি হয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে শান্তির বাজার পুর এলাকার উন্নয়নের আরেকধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবার লক্ষ্যে পুর পরিষদের নতুন ভবনের শুভ উদ্ভোধন করা হয়। মঙ্গলবার প্রদীপ প্রজ্বলন, ফিতা কেটে ও ফলক উন্মোচনের মধ্যদিয়ে নতুন ভবনের শুভ উদ্ভোধন করেন ত্রিপুরার নগর উন্নয়ন, সমাজ কল্যান ও সমাজ শিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী সান্তনা চাকমা। উদ্ভোধকের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন ৩৬-শান্তির বাজার বিধানসভার বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং, দক্ষিন জেলার জেলাশাসক সাজু বাহিদ এ, শান্তির বাজার মহকুমাশাসক অভেদানন্দ বৈদ্য, দক্ষিন জেলার জেলা সভাধিপতি কাকলী দাস দত্ত, জেলার জেলা সহ সভাধিপতি বিভিষন চন্দ্র দাস, বগাফা ব্লকের বি এস সি চেয়ারম্যান গৌরি শঙ্কর রিয়াং সহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী সান্তনা চাকমা জানান, বর্তমানে রাজ্য সরকার লোকজনদের উন্নয়ন স্বার্থে বিপুল পরিমনে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর দিয়েছে এবং আগামীদিনেও দেওয়া হবে। এরমধ্যে দেখা যাচ্ছে ঘর দেওয়ার পর রাজ্যের সবকয়টি জায়গায় ইট, বালি, রড ও সিমেন্টের দাম বৃদ্ধী পেয়ছে। কিছু সংখ্যক অসাধুব্যাবসায়ী নিজ খেয়ালখুশি মতো দাম রাখছে। তাই এই বিষয়ে জেলাশাসককে লক্ষ্য রাখার জন্য বিশেষ আহব্বান জানানো হয়। যাতে করে ব্যাবসায়ীর ক্ষতি না হয় ও বেনিফিসারীদেরও ক্ষতি না হয় তারদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে জানান মন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী সান্তনা চাকমা রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কথা সকলের সামনে তুলে ধরেন।
