আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৯ জানুয়ারি || রাজ্যে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয় ৪৪’তম ককবরক দিবস। প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও ১৯শে জানুয়ারি ককবরক দিবসের মূল অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয় রাজধানীর রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে। “মাতৃ ভাষাকে সম্মান জানাই” ভাবনায় ককবরক দিবস অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব, শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথ, মন্ত্রী মেবার কুমার জমাতিয়া প্রমুখ।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মাতৃ ভাষার পাশাপাশি নিজস্ব কৃষ্টি-সংস্কৃতি-পরম্পরাকে সঙ্গে নিয়ে ককবরক ভাষা সহ অন্যান্য ভাষার চৰ্চা দ্বারা লব্ধ অভিজ্ঞতা নিজেদের সমৃদ্ধতর করার পথ সুগম করার সহায়ক। প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য নেতৃত্বে জাতীয় শিক্ষা নীতির সংশোধনী দ্বারা মাতৃ ভাষায় শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সুনিশ্চিত হয়েছে বলে জানান তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের জনজাতিদের আর্থ সামাজিক জীবনমান বিকাশে ১৩০০ কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজ সহ গুচ্ছ ইতিবাচক পদক্ষেপ সফলভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
এদিন ককবরক ভাষার প্রতি সম্মাননা স্বরূপ গন্ডাছড়ার নাম পরিবর্তন করে’গন্ডা তুইসা’ এবং আঠারমুড়ার নাম পরিবর্তন করে ‘হাচুক বেরেম’ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে ডম্বুর ভ্রমণের মাধ্যমে ও সড়ক পথে রাজ্যে আগত যাত্রীদের কাছে এই দুই জায়গার নতুন নামাকরণ অনায়াসে বিশ্ব আঙিনায় পৌঁছে যাবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।
৪৪’তম ককবরক দিবস অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো আত্মপ্রকাশ হওয়া ‘টিচার্স হ্যান্ডবুক সহ অন্যান্য প্রকাশনা – ককবকর ভাষার প্রসার ও শিক্ষা প্রদানে অগ্রণী ভূমিকা নেবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।
