আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২১ জানুয়ারি || সুদীর্ঘ রাজন্য শাসনের অবসানে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ী রাজ্য ত্রিপুরা যোগ দেয় ভারতীয় গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায়। প্রশাসনিক ব্যবস্থা চালুর মধ্য দিয়ে রাজ্য পূর্ণরাজ্যের স্বীকৃতি অর্জন করে। উত্তর-পূর্ব এলাকা সমূহ পুনর্গঠন আইন ১৯৭১ অনুসারে ১৯৭২ সালের ২১শে জানুয়ারী ত্রিপুরা ঘোষিত হয় পূর্ণরাজ্যে। যথাযোগ্য মর্যাদায় সরকারি-বেসরকারি ভাবে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে রাজ্য পালন করে দিবসটি।
শুক্রবার রাজ্যের সরকারিস্তরে মূল অনুষ্ঠানটি হয় রাজধানীর রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে। এদিন দুপুরে ৫০’তম পূর্ণ রাজ্য দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী দেবুসিন চৌহান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব, উপ-মূখ্যমন্ত্রী যীষ্ণু দেব বর্মণ, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতীমা ভৌমিক, ত্রিপুরা বিধানসভার অধ্যক্ষ রতন চক্রবর্তী, মন্ত্রী রতন লাল নাথ, প্রণজিৎ সিংহ রায়, মনোজ কান্তি দেব, মেবার কুমার জমাতিয়া, সান্ত্বনা চাকমা, রাম প্রসাদ পাল, ভগবান চন্দ্র দাস, সুশান্ত চৌধুরী, মূখ্য সচিব কুমার অলক প্রমুখ।
এদিন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হস্তস্পর্শে উন্মোচিত হয় “লক্ষ্য ২০৪৭” শীর্ষক – আগামী ২৫ বছরের উন্নয়নের রূপরেখা।
ভাবি প্রজন্মের সামনে একটি স্পষ্ট ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরতে “লক্ষ্য ২০৪৭” অগ্রণী ভূমিকা নেবে। এই রূপরেখা, যুবদের রোজগারের পথ প্রণয়ন ও নয়া দিশা নির্দেশনায় অগ্রণী ভূমিকা নেবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব।
