আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২১ জানুয়ারি || মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মাণিক্যই প্রথম রাজা ছিলেন যিনি স্বাধীনতার সময় ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ঘোষনা করেছিলেন। মহারাজা বীরবিক্রম রুদ্রসাগর,
ও নীরমহল তৈরি করেছিলেন। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ও আগরতলা বিমানবন্দরের জন্য জমি বরাদ্দ করেছিলেন। তাই মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মাণিক্য বাহাদুরের নামেই নামাকরণ করা হয়েছে আগরতলা বিমানবন্দরের। মহারাজা বীর বিক্রম প্রতিভাকে সবসময় উৎসাহ দিতেন। ত্রিপুরার মহারাজা থেকে আর্থিক সাহায্য না পেলে দেশের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসু বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এতো কিছু করতে পারতেন না। তাই আজ আমি মহারাজাকে প্রণাম করতে চাই। শুক্রবার রাজধানীর রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে আয়োজিত ত্রিপুরার ৫০’তম পূর্ণ রাজ্য দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একথা গুলো বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ।
এদিন তিনি আরো বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন, নেশা মুক্ত অভিযানের ডাক দিয়ে তিনি শুধু রাজ্যের যুব সমাজকে নেশার কবল থেকে মুক্ত করেননি, দেশের ভিতরে যে পথ দিয়ে নেশার সামগ্রী প্রবেশ করতো সেই রাস্তাও বন্ধ করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। শ্রী শাহ বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব ও উপ-মুখ্যমন্ত্রী যীষ্ণু দেব বর্মণের জুটি ত্রিপুরাকে উন্নয়নের শিখরে নিয়ে যাচ্ছে।
ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি বলেন, ত্রিপুরা ভারতবর্ষের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য। এর নিজস্ব সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। ‘লক্ষ্য ২০৪৭’ এর মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব রাজ্যবাসীর সামনে একটি লক্ষ্য স্থীর করেছেন। এই পূর্ণরাজ্য দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে জনতা যেভাবে অংশগ্রহণ করেছে তা প্রমাণ করে যে তাঁদের সমর্থন বিজেপি এবং মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছে।
এদিন ৫০’তম পূর্ণ রাজ্য দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী দেবুসিন চৌহান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব, উপ-মূখ্যমন্ত্রী যীষ্ণু দেব বর্মণ, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতীমা ভৌমিক, ত্রিপুরা বিধানসভার অধ্যক্ষ রতন চক্রবর্তী, মন্ত্রী রতন লাল নাথ, প্রণজিৎ সিংহ রায়, মনোজ কান্তি দেব, মেবার কুমার জমাতিয়া, সান্ত্বনা চাকমা, রাম প্রসাদ পাল, ভগবান চন্দ্র দাস, সুশান্ত চৌধুরী, মূখ্য সচিব কুমার অলক প্রমুখ।
