বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ০২ আগস্ট || রাজ্য সরকার চাইছে কৃষকদের আয় দ্বীগুন করতে। রাজ্য সরকারের উদ্দ্যোগে লোকজনদের আর্থিক সাবলম্বী হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত নানান প্রকল্প লোকজনদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। রাজ্য সরকারের এই প্রকল্পে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে মৎস্য দপ্তর। মৎস্য দপ্তরের উদ্দ্যোগে লোকজনদের আর্থিক দিক দিয়ে সাবলম্বী হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে মাছের রেনু ও মাছের জাল বিতরণ করা হয়। মঙ্গলবার মৎস্য দপ্তরের উদ্দ্যোগে জোলাইবাড়ী ব্লকে মৎস্য দপ্তরের অফিস কক্ষে জোলাইবাড়ী ব্লকের অধীনে ১৪টি গ্রামপঞ্চায়েতের ৭৯ জন বেনিফিসারী নির্ধারন করে মাছ ধরার জাল বিতরণ করা হয়। এর মূল লক্ষ্য রাজ্যে সঠিকভাবে মাছের যোগান দেওয়া। মৎস্য দপ্তরের সার্ভে অনুযায়ী প্রতিবছরে প্রত্যেক পরিবারের মাথা পিছু ৪৫ থেকে ৫০ কেজি মাছের প্রয়োজন। তাই মাছের যোগান মেটাতে মৎস্য দপ্তরের বিশেষ উদ্দ্যোগ। মৎস্য দপ্তরের এই উদ্দ্যোগকে সাফল্যমন্ডিত করতে ও লোকজনদের আর্থিক দিক দিয়ে সাবলম্বী করতে জোলাইবাড়ী ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতি হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। এই প্রকল্পে জোলাইবাড়ী ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির ফান্ড থেকে ১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা ব্যায় করা হয়েছে। মৎস্য দপ্তর কতৃক আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জোলাইবাড়ী ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান রবি নমঃ, জোলাইবাড়ী ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান তাপস দত্ত, জোলাইবাড়ী ব্লকের এগ্রিস্টেন্ডিং কমিটির প্রেসিডেন্ট বিকাশ বৈদ্য, শান্তিরবাজার মহকুমার মৎস্য দপ্তরের আধিকারিক ওয়াটসন রিয়াং, মৎস্য দপ্তরের মুহুরীপুর ফিসারী দপ্তরের ইনচার্জ তমাল কান্তি বনিক সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দরা।
