প্রথম পর্যায়ে আসা ৫৪ জন ব্রু শরনার্থীদের বরণ করা হয় শান্তিরবাজার মহকুমাশাসকের কার্যালয়ে

বিশ্বেশর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১৪ জানুয়ারি || ব্রু শরনার্থীদের বসবাসের জন্য শান্তিরবাজার লাউগাংসম এডিসি ভিলেজে ৩০ হেক্টর জায়গা নির্ধারন করা হয়েছে। এই এলাকায় ৬৩৩ পরিবারের লোকজনের বসবাসের জন্য সরকারিভাবে ঘর নির্মান করা হবে। ত্রিপুরা রাজ্যে ব্রু শরনার্থীদের ১২’তম সর্বশেষ ক্যাম্প হলো শান্তিরবাজার মহকুমায়। শান্তিরবাজারে বসবাসের জন্য যেসকল পরিবারকে নির্ধারন করা হয়েছে তারা সকলে নানান কারনে অনেকমাস যাবৎ শান্তিরবাজারে নিজদের ক্যাম্পে আসতে পারেননি। তাই উনারা বিগত ৭ মাস যাবৎ কোনোপ্রকার সরকারি সহায়তা পাননি বলে জানা যায়। বর্তমান সময়ে সকলে শান্তিরবাজার লাউগাংসম এডিসি ভিলেজে উনাদের জন্য নির্ধারিত করা জায়গায় আসতে শুরু করেছে। এখন থেকে সকলে সকলপ্রকারের সরকারি সহযোগিতা পাবে।  শুক্রবার রাতে এই ক্যাম্পে প্রথম পর্যায়ে ৫৪ জন লোক এসেছে। উনারা এখানে থেকে সকলপ্রকারের কাজগুলো দেখাশুনা করবে।  পরবর্তীসময় সকল কাজ সমাপ্তি হলে ৬৩৩ পরিবারের লোকজন এই এলাকায় এসে বসবাস করবে।
শুক্রবার রাতে শান্তিরবাজার মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে ৫৪ জনকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়। সেসময় উপস্থিত ছিলেন জোলাইবাড়ী বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তথা মন্ত্রী শুক্লারন নোয়াতিয়া, শান্তিরবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং, শান্তিরবাজার মহকুমা শাসক ডঃ জি শরৎ নায়ক, অভেদানন্দ বৈদ্য সহ অন্যান্যরা। সকলে শান্তিরবাজারে আগত অতিথিদের বরণ করেনন। পরবর্তী সময় প্রসাশনিক সহযোগীতায় সকলকে নির্ধারিত জায়গায় পৌঁছে দেওয়া হয়। সকলকে দ্রুততার সহিত শান্তিরবাজার মহকুমায় স্থায়ী বসবাসকারী হিসাবে গড়ে তুলতে সমস্ত প্রকারের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সর্বপ্রকারের সরকারী সহযোগীতা পৌঁছে দেওয়া হবে। রাজ্য সরকার, কেন্দ্রীয় সরকার ও শান্তিরবাজার মহকুমা প্রসাশনের পক্ষ থেকে সহযোগীতা পেয়ে ও এইধরনের অভর্থনা পেয়ে খুবই আনন্দিত ব্রু জনজাতিরা।

FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*