সাগর দেব, তেলিয়ামুড়া, ০২ ফেব্রুয়ারী || এক সময় ছিল তেলিয়ামুড়ার লাল বাড়ির ঘরের আদরের মাস্টারবাবু! বর্তমানে গেরুয়া নামাবলী গায়ে জড়িয়ে নিজেকে মস্ত মাপের স্বঘোষিত গেরুয়া রংধারী শিক্ষক নেতা জাহির করে নিজের স্বার্থ সিদ্ধিতে অবতীর্ণ হয়েছেন! সেই সঙ্গে তিনি নাকি তেলিয়ামুড়া জুড়ে বিদ্যা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত একাংশ সরকারি শিক্ষকদের অপ্রত্যক্ষ মদত দাতাও বটে; এমনটাই চাপা গুঞ্জন লোকমুখে। ধরাকে সরা জ্ঞান করা ওই গুণধর মাস্টারবাবু হলেন তেলিয়ামুড়ার এক বনেদী বিদ্যালয়ের সরকারি চাকুরীরত শিক্ষক দীপক দেব। সদা হাস্যময় এই চেহারার আড়ালে ওই মাস্টার বাবু নিজ মুখে নিজেকে যতই গেরুয়া বাড়ির মস্ত মাপের নেতা জাহির করুক না কেন, বর্তমানেও আড়ালে অন্তরালে লাল বাড়ির সঙ্গে গোপন যোগাযোগ রেখে চলেছে বলে শিক্ষক মহল সূত্রের খবর। উনার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কেউ কিছু না বললেও তেলিয়ামুড়ার শিক্ষক মহল জুড়ে চাপা গুঞ্জন রয়েছে যে, উনি নাকি বিদ্যা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত একাংশ সরকারি শিক্ষকদের বিদ্যা ব্যবসার অপ্রত্যক্ষ মদত দাতা। সূত্রের খবর দীপক বাবুর এহেনো কর্মকাণ্ড প্রত্যক্ষ করতে পেরে উনার বর্তমান কর্মচারী সংগঠনের একাংশের অভ্যন্তরীণ প্রতিবাদে, বিগত প্রায় মাস ছয়েক পূর্বে উনার বর্তমান কর্মস্থল তথা তেলিয়ামুড়ার ঐ বনেদী বিদ্যালয় থেকে উনার নামে বদলির কাগজ বের হলেও কোনো এক অজ্ঞাত কারণে দীপক বাবু সেই বিদ্যালয়েই রয়েছেন বহাল তবিয়তে।
উনার বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে যে, এই শিক্ষক মহাশয় দীপক দেব নাকি নিজেকে স্বঘোষিত গেরুয়া বাড়ির বাবু দাবি করে প্রভাব খাটিয়ে কর্তব্য পালনেও সর্বদা চরম ফাঁকিবাজি করেন। সঠিক সময়ে বিদ্যালয়ে না আসা থেকে শুরু করে অ্যাটেনডেন্স দিয়েই নাকি ফাঁকিবাজি মেরে বিদ্যালয় থেকে চম্পট দেন এবং নিজের ব্যক্তিগত বিভিন্ন ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। তাছাড়া উনার কর্মস্থলে কান পাতলেই চাপা কানাঘুষো শোনা যায় যে, উনার বিদ্যালয়ের এক সহকর্মীর সঙ্গেও নাকি উনার খুব ভাব রয়েছে, যা নিয়ে পরবর্তীতে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে।
তবে যাই হোক একজন সরকারি শিক্ষকের এহেনো দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ডে রীতিমতো ছিঃ ছিঃ রব উঠেছে তেলিয়ামুড়ার শুভবুদ্ধি সম্পন্ন একাংশ শিক্ষক মহল জুড়ে।
