গোপাল সিং, খোয়াই, ০৫ সেপ্টেম্বর || শুক্রবার খোয়াই বিআরসি হলে মহকুমাভিত্তিক ৬৪’তম শিক্ষক দিবস পালিত হলো। খোয়াই বিদ্যালয় পরিদর্শক, তুলাশিখর বিদ্যালয় পরিদর্শক ও পদ্মবিল বিদ্যালয় পরিদর্শকের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য।অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ত্রিপুরা বিধানসভার সদস্য রঞ্জিত দেব্বর্মা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই জেলা পরিষদের কর্মবিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি অনুকূল দাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিদ্যাজ্যোতি খোয়াই সরকারি দ্বাদশ শ্রেণি বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মনোজ দেব্বর্মা, পদ্মবিল বিদ্যালয় পরিদর্শক বিষ্ণু দত্ত, অবসরপ্রাপ্ত বিদ্যালয় পরিদর্শক শচীন্দ্র দেব্বর্মা এবং প্রধানশিক্ষক অশোক দাস। সভাপতিত্ব করেন তুলাশিখর বিদ্যালয় পরিদর্শক বিজয় কুমার দেব্বর্মা এবং আহ্বায়ক ছিলেন খোয়াই বিদ্যালয় পরিদর্শক পি.কে. দেব্বর্মা।
মঙ্গলদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়, এসময় উপনিষদের শান্তিমন্ত্র পাঠ করেন খোয়াই জেলা শিক্ষা দপ্তরের কর্মী সৌর প্রতিম শর্ম্মা। পরে ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করেন খোয়াই মহকুমার শিক্ষক-শিক্ষিকারা।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন পি.কে. দেব্বর্মা। পরবর্তী সময়ে বক্তব্য রাখেন মনোজ দেব্বর্মা, বিষ্ণু দত্ত, শচীন্দ্র দেব্বর্মা, অনুকূল দাস এবং রঞ্জিত দেব্বর্মা। বক্তব্য রাখতে গিয়ে রঞ্জিত দেব্বর্মা প্রশ্ন তোলেন—“খোয়াই, রামচন্দ্র ঘাট ও আশারামবাড়ী বিধানসভা কেন্দ্রে যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকারা থাকা সত্ত্বেও কেন গত দুই বছর ধরে তাঁদের রাজ্য স্তরের শিক্ষক সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না?” তিনি জানান, এ বিষয়ে তিনি বিধানসভায় প্রশ্ন তুলবেন।
অনুষ্ঠানে খোয়াই মহকুমার ১৯ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাকে অতিথিদের হাত দিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। সবশেষে সভাপতির বক্তব্যের মাধ্যমে বিজয় কুমার দেব্বর্মা অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘোষণা করেন। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ব্যাপক উপস্থিতি ও সক্রিয় সহযোগিতায় দিনটি হয়ে ওঠে সফল ও স্মরণীয়।
