আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ৪ জুন || ত্রিপুরা রুরাল ইকোনমিক গ্রোথ অ্যান্ড সার্ভিস ডেলিভারি প্রজেক্ট (TRESP)-এর কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করে তুলতে কর্মীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জনসম্মতিভিত্তিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে বিশ্বব্যাংক। ১ জুন আগরতলায় পৌঁছানোর পর থেকেই বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দল প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে ধারাবাহিক পরিদর্শন ও পর্যালোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রতিনিধি দলটি বিভিন্ন লাইন দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক ও আলোচনা করছে, যাতে প্রকল্পের যাবতীয় কার্যক্রম নির্ধারিত নীতি ও নির্দেশিকা অনুযায়ী পরিচালিত হয় এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করা যায়।
বুধবার আগরতলার প্রজ্ঞা ভবনে বিশ্বব্যাংকের ৬ষ্ঠ ইমপ্লিমেন্টেশন সাপোর্ট মিশনের অংশ হিসেবে ট্রেসপের জীবিকা খাতের মধ্যবর্তী পর্যালোচনা (Mid-Term Review) কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় জেলা ও ব্লক স্তরের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে প্রকল্পের অগ্রগতি, অর্জন, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
কর্মশালায় নেতৃত্ব দেন বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি অমিত আরোরা, পিএমইউ-র সোনালি লস্কর এবং কৃষি বিশেষজ্ঞ সুব্রত শিব। তাঁরা মাঠপর্যায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা, সমস্যার সমাধান এবং কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন।
এদিকে, বিশ্বব্যাংকের সামাজিক সুরক্ষা বিশেষজ্ঞ ড. রেশমি ঘোষের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল গোমতী জেলার ওম্পি, জতনবাড়ি ও করবুক এলাকায় ট্রেসপের অধীনে চলমান সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করে। পরিদর্শনকালে দলটি ভূমিদাতা, গ্রামবাসী এবং অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করে প্রকল্প বাস্তবায়নে জনসম্মতি, সামাজিক ও পরিবেশগত সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং নির্মাণকাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখে।
বিশ্বব্যাংকের এই পর্যালোচনা সফর ট্রেসপ প্রকল্পের কার্যকারিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সক্ষমতা উন্নয়ন এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত।
