গোপাল সিং, খোয়াই, ০৬ অক্টোবর || রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং চিকিৎসা শিক্ষার প্রসারে অর্জিত হলো এক ঐতিহাসিক সাফল্য। গোমতী জেলার উদয়পুর মহকুমার তেপানিয়া এলাকায় “ত্রিপুরা গভর্নমেন্ট আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল” প্রতিষ্ঠার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে লেটার অব পারমিশন প্রদান করেছে ‘ন্যাশনাল কমিশন ফর ইন্ডিয়ান সিস্টেম অব মেডিসিন’।
সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খুশির খবরটি নিশ্চিত করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা জানান, নবগঠিত এই সরকারি আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজে স্নাতক স্তরের বিএএমএস কোর্সের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে ৬০টি আসন মঞ্জুর করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হওয়ায় রাজ্যের আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা পরিকাঠামোর আমূল পরিবর্তন ঘটবে এবং ত্রিপুরাসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ছাত্রছাত্রীরা নিজ রাজ্যেই আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার ওপর উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।
রাজ্যবাসীর পক্ষ থেকে এই যুগান্তকারী পদক্ষেপে অনুমোদন দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী ড. মানিক সাহা দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় আয়ুষ মন্ত্রকের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী প্রতাপরাও যাদবকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন।
তিনি জানান, রাজ্য সরকারের এই দীর্ঘদিনের প্রয়াস সফল হওয়ায় আগামী দিনে ত্রিপুরায় যেমন আয়ুর্বেদিক স্বাস্থ্য পরিষেবার মান অনেক বৃদ্ধি পাবে, তেমনই চিকিৎসাবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গবেষণার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। উদয়পুরের তেপানিয়ায় এই প্রথম কোনো পূর্ণাঙ্গ সরকারি আয়ুর্বেদিক কলেজ গড়ে ওঠার খবরে দক্ষিণ ত্রিপুরা ও গোমতী জেলা জুড়ে ব্যাপক উচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে।
