গোপাল সিং, খোয়াই, ১৪ ফেব্রুয়ারী ৷৷ ‘খোয়াই জেলায় রূপান্তরিত হবার পরও উন্নয়নের বিন্দুমাত্র ছুঁয়া লাগেনি মূল সড়কে। জনগনের মতে স্বাধীনতার ৭০ বছরেও খোয়াই-তেলিয়ামুড়া, মোহনপুর থেকে খোয়াই এবং খোয়াই থেকে আশারামবাড়ী সড়কের বেহাল অবস্থার হাল ফিরেনি। বিশেষ করে ব্যস্ততম শহরের প্রাণকেন্দ্র খোয়াই থেকে সুভাষপার্ক হয়ে মহারাজগঞ্জ বাজার সহ উদনা রোড। জনগন জীবন বাজি রেখে প্রতিদিন রাস্তায় খোয়াইয়ের জনগন নামছেন। কিন্তু সামান্য মেরামত এবং কিছু বিদ্যুৎ খুঁটি সরানো হলে এবং প্রশাসন কঠোর হাতে সরকারী ফুটপাত দখলমুক্ত করলে কিছুটা স্বস্তি পেতেন মানুষজন। জনগনের মতে প্রশাসনের দূরদর্শিতার অভাবের কারনে সরকারী জায়গার জবরদখল থেকে ফুটপাত মুক্ত হচ্ছেনা। বিশেষ করে খোয়াই পূর্ত্ত দপ্তর একেবারেই কর্মহীন। যাদরে কোন ম্যাকানিকেল জ্ঞান নেই। শহরের কোথাও দিক নির্দেশন নেই। বিভিন্ন জেলার জনগন যখন ভ্রমন বা পিকনিক করতে বা প্রশাসনিক কাজে আসেন উনারা বিপদে পড়ে যান। জনগনকে জিজ্ঞেস করতে হয় বিভিন্ন দিক নির্ণয়ের জন্য। যার প্রমান একটি মাইলপোষ্ট পর্যন্ত নেই। ১৯৮৯ সালে বসানো মাইল পোষ্টগুলি কঙ্কালসাড় হিসাবে দাঁড়িয়ে আছে খোয়াই পূর্ত্ত দপ্তরের কাজের সাক্ষী হিসাবে। এদিকে রাস্তার বেহাল অবস্থার কারনে প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনা ঘটেই চলছে। দূর্ঘটনার মাত্রা উত্তোরত্তোর বৃদ্ধি পাচ্ছে। যান দূর্ঘটনা এখন নিত্যদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। অথচ সামান্য উদ্যোগেই পূর্ত্ত দপ্তর এবং প্রশাসন জনগনের জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। অন্তত খোয়াই শহরকে ফুটপাত মুক্ত করে এবং বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলিকে সরিয়ে আপাতত যানজট এবং দূর্ঘটনার প্রবণতাকে কমিয়ে শহরটাকে নিরাপদ করতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহন করতে পারে। কিন্তু প্রশাসন এবং পূর্ত্ত দপ্তরের ঘুম কবে নাদাগ ভাঙবে, তা নিয়েই সংশয়ে জনসাধারন।
