গোপাল সিং, খোয়াই, ১৭ ফেব্রুয়ারী ৷৷ খোয়াই শহরের এবং রাজ্য আমলে তৈরী খোয়াই মহারাজগঞ্জ বাজার ও খোয়াই জেলার একমাত্র ব্যবসার বাজার ছিল মহারাজগঞ্জ বাজার। এসডিএম অফিস, থানা, ট্রেজারি, বিচারালয় থেকে সবকিছুই ছিল ঐ এলাকায়। আজ খোয়াইয়ের একমাত্র নেশা কারবারীদের দখলে এই মহারাজগঞ্জ বাজারটি। জনগনের অভিমত থানা থেকে মাত্র ১০ হাত দুরে মহারাজগঞ্জ বাজার এবং হেন্ডিং-কোরাক্স, টেবলেট, দেশী মদ, বিলেতি মদ সব খোলা বাজারে এবং প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে। অথচ থানা বাবুরা নীরব দর্শক। একমাত্র জাগরন পত্রিকায় বারবার সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে মহারাজগঞ্জ বাজারে এই অবৈধ নেশার রমরমা বাণিজ্য নিয়ে। বৃহস্পতিবার বিকেলে মহকুমা শাসক প্রসূন দে হঠাৎই পুলিশ এবং আবগারি দপ্তরকে ঘুমে রেখে অভিযান চালান মহারাজগঞ্জ বাজারে। একটি গোডাউন থেকে প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকার বিলেতি মদ উদ্ধার হয় মহকুমা শাসকের এই আচমকা অভিযানে। সংবাদ পৌছায় সঙে সঙ্গে। মহকুমা শাসকের এই অভিযানের গন্ধ পেয়ে অন্যান্য নেশা কারবারীরা সাবধান হয়ে যায় এবং দোকানগুলিতে তালা দিয়ে তড়িঘড়ি নেশার জিনিষ সরিয়ে ফেলে। প্রশ্ন হল মহারাজগঞ্জ বাজারে লাইসেন্সবিহীন বিলেতি মদের দোকান রয়েছে তারপরওেএক বছর যাবত কিভাবে প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে ব্যবসা করে যাচ্ছে? এনিয়েই প্রশাসনিকস্তরে জোড় জল্পনা শুরু হয়েছে। সরকারী কর ফাঁকি দিয়ে কিভাবে প্রকাশ্যে চলছে বিলেতি মদের দোকান? প্রশ্ন জনমনে।২ লক্ষাধিক টাকার বিলেতি মদ উদ্ধার খোয়াই মহকুমা শাসকের অভিযানে
গোপাল সিং, খোয়াই, ১৭ ফেব্রুয়ারী ৷৷ খোয়াই শহরের এবং রাজ্য আমলে তৈরী খোয়াই মহারাজগঞ্জ বাজার ও খোয়াই জেলার একমাত্র ব্যবসার বাজার ছিল মহারাজগঞ্জ বাজার। এসডিএম অফিস, থানা, ট্রেজারি, বিচারালয় থেকে সবকিছুই ছিল ঐ এলাকায়। আজ খোয়াইয়ের একমাত্র নেশা কারবারীদের দখলে এই মহারাজগঞ্জ বাজারটি। জনগনের অভিমত থানা থেকে মাত্র ১০ হাত দুরে মহারাজগঞ্জ বাজার এবং হেন্ডিং-কোরাক্স, টেবলেট, দেশী মদ, বিলেতি মদ সব খোলা বাজারে এবং প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে। অথচ থানা বাবুরা নীরব দর্শক। একমাত্র জাগরন পত্রিকায় বারবার সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে মহারাজগঞ্জ বাজারে এই অবৈধ নেশার রমরমা বাণিজ্য নিয়ে। বৃহস্পতিবার বিকেলে মহকুমা শাসক প্রসূন দে হঠাৎই পুলিশ এবং আবগারি দপ্তরকে ঘুমে রেখে অভিযান চালান মহারাজগঞ্জ বাজারে। একটি গোডাউন থেকে প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকার বিলেতি মদ উদ্ধার হয় মহকুমা শাসকের এই আচমকা অভিযানে। সংবাদ পৌছায় সঙে সঙ্গে। মহকুমা শাসকের এই অভিযানের গন্ধ পেয়ে অন্যান্য নেশা কারবারীরা সাবধান হয়ে যায় এবং দোকানগুলিতে তালা দিয়ে তড়িঘড়ি নেশার জিনিষ সরিয়ে ফেলে। প্রশ্ন হল মহারাজগঞ্জ বাজারে লাইসেন্সবিহীন বিলেতি মদের দোকান রয়েছে তারপরওেএক বছর যাবত কিভাবে প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে ব্যবসা করে যাচ্ছে? এনিয়েই প্রশাসনিকস্তরে জোড় জল্পনা শুরু হয়েছে। সরকারী কর ফাঁকি দিয়ে কিভাবে প্রকাশ্যে চলছে বিলেতি মদের দোকান? প্রশ্ন জনমনে।