১১ দফা দাবীতে আগরতলায় তৃনমূল কংগ্রেসের আইন অমান্য

tmc tmc.jpg1দেবজিৎ চক্রবর্তী, আগরতলা, ২৩ ফেব্রুয়ারী ৷৷ ত্রিপুরার রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় লড়াই সীমাবদ্ধ ছিল কংগ্রেস ও সি পি আই (এম)-র মধ্যে। পশ্চিমবঙ্গে বিগত বিধানসভার ভোটে হাত ও কাঁচির জোট থেকেই ত্রিপুরায় কংগ্রেসে তূষের আগুনের সৃষ্টি। কংগ্রেস থেকে ছয় বিধায়কের তৃনমূলের যোগদান গোটা ত্রিপুরায় কংগ্রেসকে বিপর্যয়ের মুখে দাঁড় করিয়েছে। স্বভাবতই কংগ্রেসের বিশাল সংখ্যক সভ্য সমর্থক মা-মাটি-মানুষের দলে সামিল হয়েছে। মাস কয়েক আগে ত্রিপুরা প্রদেশ তৃনমূল কংগ্রেসের জাম্বো সাইজের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়েছে। ত্রিপুরা প্রদেশ তৃনমূল কংগ্রেসের নবগঠিত কমিটির আহ্বানে ২৩শে ফেব্রুয়ারী ১১ দফা দাবীকে সামনে রেখে আইন অমান্য আন্দোলনে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত মন্ত্রী এবং তৃনমূলের রাজ্য নেতৃত্ব। ত্রিপুরা প্রদেশ তৃনমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব এবং পশ্চিমবঙ্গ থেকে আগত নেতারা চিটফান্ডের দৌলতে ত্রিপুরায় ১৪ লক্ষ মানুষের সর্বশান্ত হওয়ার জন্য ক্ষমতাসীন দল এবং মূখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের তীব্র সমালোচনায় মুখর হয়েছেন। তৃনমূল নেতৃত্ববৃন্দ বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে চিটফান্ড কান্ডে মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদদের জেলে পাঠাচ্ছে সি বি আই। কিন্তু ত্রিপুরায় সি বি আই হাত গুটিয়ে বসে আছে। রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রীকে নিশানায় রেখে তৃনমূল বক্তারা দিল্লী-ত্রিপুরার অন্তরালের যোগাযোগ নিয়ে সরব হয়েছন। ২০১৮-র রাজ্য বিধাসভার নির্বাচনে ভোট ভাগাভাগি যে করেই হোক রুখতে হবে বলে আইন অমান্য আন্দোলনে জানিয়েছেন তৃনমূল রাজ্য নেতৃত্বরা। রাজ্যে সি বি আই তদন্তের মধ্য দিয়ে চিটফান্ডে যুক্তদের মুখোশ উন্মোচনে ধারাবাহিক আন্দোলনের বারতা দেয়া হয়েছে ত্রিপুরা প্রদেশ তৃনমূল কংগ্রেসের পক্ষে।
FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*