বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ২০ অক্টোবর ৷৷ দুঃসাহসিকভাবে চুরি হয় এক মুদির দোকানে। ঘটনার বিবরনে জানাযায়, শান্তির বাজার মহকুমার অন্তর্গত নগদা বাজারে জয়দেব দাসের মুদির দোকানে বুধবার রাতে এই চুরি সংগঠিত হয়। জয়দেব দাস ও কৃষ্ণ দাস দুই ভাই মিলে দীর্ঘ ২৬ বছর এই দোকান চালাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যান্য দিনের মত বৃহস্পতিবার ভোরে কৃষ্ণ দাস দোকান খুলে দেখে দোকানের জিনিষপত্র এলোমেলো অবস্থায় পরে আছে। এই জন্য উনার মনে সন্দেহ জাগে। খবর দেওয়া হয় বাড়ীতে সঙ্গে সঙ্গে বরভাই জয়দেব দাস দোকানে আসে। গ্রামের লোকজন ও খবর শুনার সঙ্গে সঙ্গে ভীর জমাতে শুরু করে। ঘটনা জানাজানির প্রায় এক ঘন্টা পর শান্তির বাজার থানায় খবর দেওয়া হয়। শান্তির বাজার থানার ওসি নারায়ন সাহা ঘটনা স্থলে ছুটে যান। সব কিছু দেখে জানতে পারা যায় চোরের দল ঘরের টিনের ছাউনি কেটে দোকান ঘরে প্রবেশ করে চুরি করে নিয়ে যায়। দোকান মালিকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আনুমানিক ৮০ হাজার টাকার দ্রব্য সামগ্রী চুরি হয় যার মধ্যে প্রায় সাড়ে আট হাজার নগদ টাকা, পাঁচ হাজার টাকা মোবাইল রিচার্জ কার্ড ও দোকানের চাল, হলুদ থেকে শুরু করে অধিকাংশ দ্রব্য সামগ্রী চুরি হয়। দোকানের মালিক কৃষ্ণ দাস জানান, এই বাজারে রাত্র ১২টা থেকে ১ টা পর্যন্ত নেশার কারবার চলে যার মধ্যে কিছু যুবক লিপ্ত বলে জানান। তিনি আশা করেন বাইরে থেকে চোর এই চুরির জন্য আসেননি। প্রতিনিয়ত অধিক রাত্র পর্যন্ত নেশার কারবার চলে এই বাজারে।এই নিয়ে পুলিশ প্রসাশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন চিহ্ন রয়ে যায়। এই চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমস্ত বাজারে দোকানের মালিকদের মধ্যে এক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।দুঃসাহসিক চুরি মুদির দোকানে
বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ২০ অক্টোবর ৷৷ দুঃসাহসিকভাবে চুরি হয় এক মুদির দোকানে। ঘটনার বিবরনে জানাযায়, শান্তির বাজার মহকুমার অন্তর্গত নগদা বাজারে জয়দেব দাসের মুদির দোকানে বুধবার রাতে এই চুরি সংগঠিত হয়। জয়দেব দাস ও কৃষ্ণ দাস দুই ভাই মিলে দীর্ঘ ২৬ বছর এই দোকান চালাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যান্য দিনের মত বৃহস্পতিবার ভোরে কৃষ্ণ দাস দোকান খুলে দেখে দোকানের জিনিষপত্র এলোমেলো অবস্থায় পরে আছে। এই জন্য উনার মনে সন্দেহ জাগে। খবর দেওয়া হয় বাড়ীতে সঙ্গে সঙ্গে বরভাই জয়দেব দাস দোকানে আসে। গ্রামের লোকজন ও খবর শুনার সঙ্গে সঙ্গে ভীর জমাতে শুরু করে। ঘটনা জানাজানির প্রায় এক ঘন্টা পর শান্তির বাজার থানায় খবর দেওয়া হয়। শান্তির বাজার থানার ওসি নারায়ন সাহা ঘটনা স্থলে ছুটে যান। সব কিছু দেখে জানতে পারা যায় চোরের দল ঘরের টিনের ছাউনি কেটে দোকান ঘরে প্রবেশ করে চুরি করে নিয়ে যায়। দোকান মালিকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আনুমানিক ৮০ হাজার টাকার দ্রব্য সামগ্রী চুরি হয় যার মধ্যে প্রায় সাড়ে আট হাজার নগদ টাকা, পাঁচ হাজার টাকা মোবাইল রিচার্জ কার্ড ও দোকানের চাল, হলুদ থেকে শুরু করে অধিকাংশ দ্রব্য সামগ্রী চুরি হয়। দোকানের মালিক কৃষ্ণ দাস জানান, এই বাজারে রাত্র ১২টা থেকে ১ টা পর্যন্ত নেশার কারবার চলে যার মধ্যে কিছু যুবক লিপ্ত বলে জানান। তিনি আশা করেন বাইরে থেকে চোর এই চুরির জন্য আসেননি। প্রতিনিয়ত অধিক রাত্র পর্যন্ত নেশার কারবার চলে এই বাজারে।এই নিয়ে পুলিশ প্রসাশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন চিহ্ন রয়ে যায়। এই চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমস্ত বাজারে দোকানের মালিকদের মধ্যে এক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।