আন্তর্জাতিক ডেস্ক ৷৷ ভ্যাটিকানের রোমান ক্যাথলিক চার্চের প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস মিয়ানমার সফরকালে দেশটির নেত্রী অং সান সু চি’র সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তবে বৈঠকের সময় পোপ রোহিঙ্গা নিধন বন্ধ এবং তাদের রাখাইনে পুনর্বাসনে সু চি’কে আহ্বান জানাবেন ধারণা করা হলেও তা বাস্তবে হয়নি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, মঙ্গল সু চি’র সঙ্গে বৈঠকের পর বক্তব্য দেন পোপ ফ্রান্সিস। সেখানে দু’জনের কি কি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে তারও ইঙ্গিত পাওয়া যায়। কিন্তু পোপের পুরো বক্তব্যে একবারের জন্য হলেও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নাম উল্লেখ করা হয়নি। তবে পোপ ফ্রান্সিস তার বক্তব্যে বলেছেন, ‘প্রতিটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি সব রাষ্ট্রের শ্রদ্ধা থাকা উচিত।’ যদিও পোপ মিয়ানমার সফরের আগে থেকেই বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা তাকে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আহ্বান জানানোর অনুরোধ করে আসছিল। অবশ্য সফরের আগেই মিয়ানমারের ক্যাথলিক চার্চের পক্ষ থেকে পোপকে অনুরোধ জানানো হয়, তিনি যেন রোহিঙ্গা শব্দই উচ্চারণ না করেন। বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমারে দেশটির মোট জনসংখ্যার মাত্র ১ ভাগ ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের মানুষ। ক্যাথলিকদের উপর যাতে মিয়ানমার সরকার রুষ্ট না হয় সেজন্যই পোপের এমন অবস্থান বলে ধারণা করা হচ্ছে। রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর উপর মিয়ানমার সেনাবাহিনী সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে বর্বরোচিত নিধন অভিযান চালালেও তা মানতে নারাজ। চলতি বছরের আগষ্টে রাখাইনে দেশটির সামরিক বাহিনী নিধন অভিযান শুরু করে। এমন অবস্থায় প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ৬ লাখ ২০ হাজার মানুষ। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা অবিলম্বে নিধন অভিযান বন্ধ এবং উচ্ছেদ করা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আহ্বান জানালেও তাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়েছে সু চি সরকার। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অনুরোধ উপেক্ষা করে মিয়ানমার সরকার উল্টো জানিয়েছে, রোহিঙ্গারা বাঙালি হওয়ায় সেদেশে তাদের বসবাসের কোনো অধিকার নেই। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে অবশ্য নাগরিকত্বের প্রমাণ সাপেক্ষে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তন করতে পারবে বলে জানায় সু চি। তবে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্প্রতি রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন চুক্তি সম্পন্ন হলেও কতদিনের মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেয়া হবে তা পরিস্কার করে বলেনি সু চি সরকার।রোহিঙ্গা বিষয়ে মুখ খোলেননি পোপ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক ৷৷ ভ্যাটিকানের রোমান ক্যাথলিক চার্চের প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস মিয়ানমার সফরকালে দেশটির নেত্রী অং সান সু চি’র সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তবে বৈঠকের সময় পোপ রোহিঙ্গা নিধন বন্ধ এবং তাদের রাখাইনে পুনর্বাসনে সু চি’কে আহ্বান জানাবেন ধারণা করা হলেও তা বাস্তবে হয়নি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, মঙ্গল সু চি’র সঙ্গে বৈঠকের পর বক্তব্য দেন পোপ ফ্রান্সিস। সেখানে দু’জনের কি কি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে তারও ইঙ্গিত পাওয়া যায়। কিন্তু পোপের পুরো বক্তব্যে একবারের জন্য হলেও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নাম উল্লেখ করা হয়নি। তবে পোপ ফ্রান্সিস তার বক্তব্যে বলেছেন, ‘প্রতিটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি সব রাষ্ট্রের শ্রদ্ধা থাকা উচিত।’ যদিও পোপ মিয়ানমার সফরের আগে থেকেই বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা তাকে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আহ্বান জানানোর অনুরোধ করে আসছিল। অবশ্য সফরের আগেই মিয়ানমারের ক্যাথলিক চার্চের পক্ষ থেকে পোপকে অনুরোধ জানানো হয়, তিনি যেন রোহিঙ্গা শব্দই উচ্চারণ না করেন। বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমারে দেশটির মোট জনসংখ্যার মাত্র ১ ভাগ ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের মানুষ। ক্যাথলিকদের উপর যাতে মিয়ানমার সরকার রুষ্ট না হয় সেজন্যই পোপের এমন অবস্থান বলে ধারণা করা হচ্ছে। রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর উপর মিয়ানমার সেনাবাহিনী সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে বর্বরোচিত নিধন অভিযান চালালেও তা মানতে নারাজ। চলতি বছরের আগষ্টে রাখাইনে দেশটির সামরিক বাহিনী নিধন অভিযান শুরু করে। এমন অবস্থায় প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ৬ লাখ ২০ হাজার মানুষ। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা অবিলম্বে নিধন অভিযান বন্ধ এবং উচ্ছেদ করা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আহ্বান জানালেও তাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়েছে সু চি সরকার। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অনুরোধ উপেক্ষা করে মিয়ানমার সরকার উল্টো জানিয়েছে, রোহিঙ্গারা বাঙালি হওয়ায় সেদেশে তাদের বসবাসের কোনো অধিকার নেই। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে অবশ্য নাগরিকত্বের প্রমাণ সাপেক্ষে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তন করতে পারবে বলে জানায় সু চি। তবে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্প্রতি রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন চুক্তি সম্পন্ন হলেও কতদিনের মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেয়া হবে তা পরিস্কার করে বলেনি সু চি সরকার।