সাগর দেব, তেলিয়ামুড়া, ০৭ মে || বিজ্ঞান যুগের সাথে তাল মিলিয়ে এ রাজ্যের শহর এলাকার পাশাপাশি প্রত্যন্ত এলাকা গুলিতেও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটেছে। রাজ্যের অন্যান্য অংশের প্রত্যন্ত এলাকাগুলির মতো মুঙ্গিয়াকামী আর ডি ব্লকের অধীনে প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটেছে। এছাড়া বিদ্যুতের অভাবে সোলার লাইটের মাধ্যমে বিদ্যুতের চাহিদা মেটানো হচ্ছে। কিন্তু এই ব্লকের অধীনেই নুনাছড়া এডিসি ভিলেজের কালীচরণ পাড়া এবং দাগ্রাম পাড়া এই দুটি এলাকায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা পৌঁছল না। এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, এই উপজাতি দুটি পল্লীতে প্রায় ৩০টি পরিবারের বসবাস। অধিকাংশরাই জুমিয়া। বিদ্যুৎ এর আলোর অভাবে ওই এলাকার জুমিয়াদের কোমলমতি ছেলে মেয়েরা সন্ধ্যার পর পঠন-পাঠন করতে হচ্ছে কেরোসিন সম্বলিত কুপি বাতি দিয়ে। যা অনেকটা অবাক হওয়ার বিষয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার এতগুলি বছর পেরিয়ে গেলেও কালীচরণ পাড়া এবং দাগ্রাম পাড়া এলাকায় পৌঁছলনা বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। অন্যদিকে কেরোসিনের দামও খোলা বাজারে গগনচুম্বী।যা জুমিয়া পরিবার গুলোর ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। এর পরেও ওই সব জুমিয়ারা তাদের ছেলেমেয়েদের রাত্রিকালীন সময়ে পড়াশোনা করানোর জন্য চড়া দামে খোলাবাজার থেকে কেরোসিন ক্রয় করতে হচ্ছে।
এদিকে এ ব্যাপারে মুঙ্গিয়াকামী আর ডি ব্লকের চেয়ারম্যান সুলীল দেববর্মার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নুনাছড়া এডিসি ভিলেজের কালীচরণ পাড়া, দাগ্রাম পাড়া, গদাই মঙ্গকুড়ুই এবং কলই বস্তি এলাকা গুলিতে যাতায়াত করার জন্য রাস্তা নেই। রাস্তা না থাকার কারণে এলাকাগুলিতে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে আগামী দিনে ওই সব এলাকাগুলিতে রাস্তার উন্নয়নের কাজ করে বিদ্যুৎ সম্প্রসারিত করার আশা ব্যক্ত করেন মুঙ্গিয়াকামী আর ডি ব্লকের চেয়ারম্যান সুনীল দেববর্মা।
